০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৩:০০

শিরোনাম
জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
শিরোনাম
জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সেহরিতে যে ৫টি স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে পারেন

সেহরিতে যে ৫টি স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে পারেন

স্বাস্থ্য ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০০:৩১

রমজান মাসে সারাদিন পানাহার থেকে বিরত থাকতে হয়। তাই সেহরির খাবার হওয়া উচিত এমন, যা শরীরে দীর্ঘ সময় শক্তি জোগাবে, পানিশূন্যতা রোধ করবে এবং দুর্বলতা কমাবে। সুস্থ থাকতে সেহরিতে যেসব খাবার খাওয়া উচিত। 

১. জটিল শর্করা (কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট): লাল চালের ভাত, আটার রুটি, ওটস—এ ধরনের খাবার ধীরে হজম হয় এবং দীর্ঘ সময় শক্তি দেয়। হঠাৎ ক্ষুধা লাগা কমায়।

২. প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার: ডিম, ডাল, মুরগির মাংস, মাছ বা দই রাখতে পারেন। প্রোটিন পেশি শক্ত রাখে এবং পেট ভরা অনুভূতি দীর্ঘস্থায়ী করে।

৩. ফল ও সবজি: শসা, টমেটো, গাজর, আপেল, কলা বা তরমুজের মতো ফল-সবজি শরীরে ভিটামিন ও খনিজের জোগান দেয়। শসা ও তরমুজে পানি বেশি থাকায় পানিশূন্যতা কমাতে সাহায্য করে।
 
৪. দুগ্ধজাত খাবার: দুধ বা দই হজমে সহায়ক এবং ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস। এক গ্লাস দুধ সেহরিতে রাখলে শরীর সতেজ থাকে।

৫. স্বাস্থ্যকর চর্বি: বাদাম, আখরোট বা সামান্য অলিভ অয়েল শরীরে ভালো ফ্যাট সরবরাহ করে, যা দীর্ঘ সময় শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে।
 
এছাড়া যেসব খাবার এড়িয়ে চলতে পারেন। 

. অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও তৈলাক্ত খাবার
. অতিরিক্ত মিষ্টি ও চিনি
. অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার
. বেশি চা বা কফি (ক্যাফেইন শরীর থেকে পানি কমায়)
 
 

আরও পড়ুন