২৯ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ০০:৫১

শিরোনাম
১২ আগস্ট দেখা যাবে বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ শাহজালাল বিমানবন্দরে ৯২ লাখ টাকার স্বর্ণ উদ্ধার, আটক ২ প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক ১৫৭ বছরের পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রথম পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন
শিরোনাম
১২ আগস্ট দেখা যাবে বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ শাহজালাল বিমানবন্দরে ৯২ লাখ টাকার স্বর্ণ উদ্ধার, আটক ২ প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক ১৫৭ বছরের পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রথম পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন

ত্রয়োদশ সংসদে ৪২ দলের প্রাপ্তি শূন্য

ত্রয়োদশ সংসদে ৪২ দলের প্রাপ্তি শূন্য

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১৭:৩৪

দেশজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বহুল প্রত্যাশিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে টানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এবারের জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে প্রথমবারের মতো গণভোটও আয়োজন করা হয়।

নিবন্ধিত ৫৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৫১টি দল নির্বাচনে অংশ নেয়। তবে ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে ৪২টির কোনো প্রার্থীই বিজয়ী হতে পারেননি। মাত্র ৯টি দলের প্রার্থীরা সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বড় দলকেন্দ্রিক মেরুকরণ, জোটভিত্তিক সমীকরণ এবং কৌশলগত ভোটিংয়ের প্রভাবেই অধিকাংশ ছোট ও মাঝারি দল আসনশূন্য থেকেছে। অনেক দল শতাধিক আসনে প্রার্থী দিলেও শেষ পর্যন্ত শূন্য হাতে ফিরতে হয়েছে।

যেসব দল কোনো আসন পায়নি, তাদের মধ্যে রয়েছে—

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), জাতীয় পার্টি (জেপি), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণতন্ত্রী পার্টি, জাতীয় পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল–জেএসডি, জাকের পার্টি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি), জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, গণফোরাম, গণফ্রন্ট, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, ইসলামী ঐক্যজোট, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ), ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট (এনডিএম), বাংলাদেশ কংগ্রেস, ইনসানিয়াত বিপ্লব, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল–বাংলাদেশ জাসদ, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি), বাংলাদেশ লেবার পার্টি, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), জনতার দল, আমজনতার দল, বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি (বিইপি) এবং বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি।

ফলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব পাচ্ছে মাত্র ৯টি রাজনৈতিক দল ও কয়েকজন স্বতন্ত্র সদস্য। বাকি ৪২ দলের জন্য এবারের নির্বাচন হয়ে থাকলো হতাশার অধ্যায়।

আরও পড়ুন