২৯ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ০০:৪৯

শিরোনাম
১২ আগস্ট দেখা যাবে বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ শাহজালাল বিমানবন্দরে ৯২ লাখ টাকার স্বর্ণ উদ্ধার, আটক ২ প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক ১৫৭ বছরের পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রথম পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন
শিরোনাম
১২ আগস্ট দেখা যাবে বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ শাহজালাল বিমানবন্দরে ৯২ লাখ টাকার স্বর্ণ উদ্ধার, আটক ২ প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক ১৫৭ বছরের পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রথম পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩০ জুন, ২০২৬, ১৪:৪৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ আট অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। রায় ঘোষণার সময় আসামি হাসানুল হক ইনু আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

দুপুর ১টা ৪২ মিনিটে ইনুকে হাজতখানা থেকে আদালতে আনা হয়। পরে ট্রাইব্যুনাল ২১১ পৃষ্ঠার রায় পাঠ শুরু করে। রায়ের বিভিন্ন অংশে ইনুর বিরুদ্ধে আনা আটটি অভিযোগ, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং মামলার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। পুরো রায় ঘোষণার কার্যক্রম বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

প্রসিকিউশনের তথ্যমতে, ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ মামলার তদন্ত শুরু হয়। একই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর ২৫ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) জমা দেওয়া হয়। এরপর ২ নভেম্বর আটটি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়।

মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১০ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এছাড়া ২০টি ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী এবং পাঁচটি বস্তুগত আলামত আদালতে উপস্থাপন করা হয়। আসামিপক্ষের হয়ে দুইজন সাফাই সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

রায়ে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে উসকানি, বলপ্রয়োগে সমর্থন, কুষ্টিয়ার পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী অভিযান পরিচালনায় ভূমিকা রাখার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

প্রসিকিউশনের অভিযোগে বলা হয়, ১৮ জুলাই ভারতের একটি সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইনু আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। এছাড়া ১৯ ও ২৯ জুলাই তৎকালীন সরকারের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিয়ে আন্দোলন দমনের বিভিন্ন সিদ্ধান্তে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

আরও বলা হয়, ২০ জুলাই কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারকে আন্দোলনকারীদের তালিকা তৈরি করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন ইনু। এর ধারাবাহিকতায় কুষ্টিয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে ছয়জন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হন বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্রাইব্যুনালের রায়ে এসব অভিযোগের ভিত্তিতে হাসানুল হক ইনুকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন