বিয়ের আইনি স্বীকৃতি’র দাবিতে শাহবাগে সমকামীদের অবস্থান
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১৯:৫২
রাজধানীর শাহবাগে সমলিঙ্গের বিয়ের আইনি স্বীকৃতির দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন একদল সমকামী। এ সময় পূর্বানুমতি ছাড়া এ কর্মসূচি পালন করায় পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে গেলে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
জানা গেছে, প্রতি শুক্রবার শাহবাগ এলাকায় জড়ো হন সমকামীরা—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিনের।
গত শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জড়ো হতে গেলে সংবাদকর্মীরা উপস্থিত হলে তাদের ওপর তার চড়াও হয়। একপর্যায়ে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলাও চালানো হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালায় এবং ৮ জনকে আটক করে।
তখন পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করা এবং একজন সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে তাদের দণ্ড দেওয়া হয়।
এদিকে, আজ বিকেল ব্যানার নিয়ে অবস্থান নিলে পুলিশ এসে তাদের কাছে সমাবেশের অনুমতির কাগজ দেখতে চায়।
এ সময় পুলিশের এক কর্মকর্তা আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বলেন, "আপনারা এই যে ব্যানার বানিয়েছেন, এখানে যে লোক সমাগম হচ্ছে, এর জন্য প্রশাসনের অনুমতি লাগবে। আইনগতভাবে আপনাদের সাপোর্ট দেওয়ার জন্য পূর্বেই আমাদের অবগত করা বা থানায় চিঠি দেওয়ার প্রয়োজন ছিল। একটা রাস্তায় বসে পাবলিক জমায়েত করতে হলে ইনফর্ম করতে হয়।"
অবস্থানরত সমকামীরা এটিকে তাদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার বলে দাবি করেন।
পুলিশের অনুমতির দাবির প্রেক্ষিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ও বামপন্থী ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নাঈম উদ্দিন বলেন, "অনুমতির ব্যাপার তো না, সে তার মত প্রকাশ করবে। তাদের যে গণতান্ত্রিক অধিকার, তারা এখানে তাদের অধিকার নিয়ে কথা বলবে। এখানে একটা মানুষ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র চাইলে দাঁড়াতেই পারে।"
একপর্যায়ে পুলিশ সেখানে একটি সম্ভাব্য হামলার গোয়েন্দা তথ্যের কথা উল্লেখ করে তাদের নিরাপত্তার স্বার্থেই সেখান থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়।
পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, "আমাদের কাছে গোয়েন্দা ইন্টেল আছে। এখন কি আমরা হামলা হওয়ার জন্য বসে থাকব, না হামলা হওয়ার আগেই আপনাদের নিরাপত্তা দেব। আল্লাহ না করুক, প্রতিপক্ষ চলে আসুক এবং দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়ে যাক— তখন আমরা বিব্রত হব। এই বিব্রতকর পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয় এবং আপনারাও সেফ থাকেন, সেই কারণেই আপনাদের আমরা অগ্রিম বলছি আপনারা চলে যান।
পুলিশের এই নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগের জবাবে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে বলা হয়, "আপনাদের কনসার্নটা আমরা বুঝতে পারছি এবং আপনারাও চাইছেন না এরকম একটা কনফ্লিক্ট হোক। কিন্তু আমাদের জায়গা থেকে এটা বলা হয়েছে যে, আমরা মনে করি এটা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক জায়গা।"
দীর্ঘক্ষণ ধরে চলা এই তর্ক-বিতর্ক ও পাল্টাপাল্টি যুক্তির জেরে ওই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
আরও পড়ুন
- • ভূমিকম্পের ধ্বংসস্তূপে অলৌকিকভাবে বাঁচল ১৮ দিনের শিশু
- • বিশ্বকাপের মাঝেই বড় সুখবর পেল বাংলাদশ
- • বিশ্বকাপের মাঝেই বড় সুখবর পেল বাংলাদশ
- • বিয়েতে অতিথি ১০০ ছাড়লে জনপ্রতি ২৫ টাকা ট্যাক্স!
- • রাজধানীতে সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ আটক
- • পাহাড়ি ফল মেলায় উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরলেন প্রতিমন্ত্রী
- • যুদ্ধ-দুর্নীতির চাপে টালমাটাল নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ
- • জর্ডানের বিপক্ষে শুরুর একাদশে নেই মেসি, জানালেন স্কালোনি
- • মালয়েশিয়ার ২ হাজার বন্দিদের ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
- • মালয়েশিয়ার পথে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী
- • যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের বৈঠকে সুইজারল্যান্ডে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান
- • ১৭ বছর পর ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ
- • ম্যাচ উপভোগ করতে ঢাবিতে আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত
- • প্রণালির নিয়ন্ত্রণ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ইরানের: গালিবাফ
- • শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা সম্পর্কিত নতুন নির্দেশনা
- • যুদ্ধবিরতির পরও কঠোর অবস্থানে ইসরাইল, লেবাননে সেনা মোতায়েন অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু
- • বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব নিশ্চিত করল যে দলগুলো
- • মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন হচ্ছে, গঠন হবে পৃথক ট্রাইব্যুনাল :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
