২৯ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ০০:৫১

শিরোনাম
১২ আগস্ট দেখা যাবে বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ শাহজালাল বিমানবন্দরে ৯২ লাখ টাকার স্বর্ণ উদ্ধার, আটক ২ প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক ১৫৭ বছরের পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রথম পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন
শিরোনাম
১২ আগস্ট দেখা যাবে বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ শাহজালাল বিমানবন্দরে ৯২ লাখ টাকার স্বর্ণ উদ্ধার, আটক ২ প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক ১৫৭ বছরের পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রথম পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন

মার্কিন সেনাদের জন্য ইরানি ‘নরক’ প্রস্তুত

মার্কিন সেনাদের জন্য ইরানি ‘নরক’ প্রস্তুত

প্রকাশিত: ৩০ মার্চ, ২০২৬, ২৩:১৩

মধ্যপ্রাচ্যে আগ্রাসন ও আলোচনার আড়ালে ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপ ও হরমুজ প্রণালি দখলের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপক সৈন্য সমাবেশ ঘটাচ্ছে বলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে।

তবে সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, পারস্য উপসাগরের এই ‘লাইফলাইন’ দখল করা ওয়াশিংটনের জন্য মোটেও সহজ হবে না। বরং মার্কিন সেনাদের জন্য সেখানে এক ভয়াবহ ‘নরক’ তৈরি করে রেখেছে তেহরান।

মার্কিন বাহিনী ইরানি ভূখণ্ডে পা রাখলে তারা সরাসরি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হবে। উপকূল থেকে মাত্র ২০ মাইল দূরের খারগ দ্বীপে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) শক্তিশালী অবস্থান রয়েছে। বিশ্লেষক ব্রায়ান ক্লার্কের মতে, পুরো দ্বীপে মরণফাঁদ ও আইইডি পেতে রাখা হয়েছে। ইরানিদের লক্ষ্য হলো মার্কিন সেনাদের হতাহত করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিক সংকট তৈরি করা। ১ লাখ ৯০ হাজারের বেশি সদস্যের বিশাল সেনাবাহিনী নিয়ে ইরান এই সংঘাতকে দ্রুত একটি দীর্ঘস্থায়ী ‘বিদ্রোহ দমনের যুদ্ধে’ রূপ দিতে পারে।

মার্কিন স্থল অভিযানের পাল্টা জবাব হিসেবে ইরান পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা জোরদার করতে পারে। গবেষক জন হফম্যানের মতে, তেহরানের সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র হলো আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারকে অস্থিতিশীল করে ট্রাম্পের গলায় ফাঁসের দড়ি শক্ত করা। বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও পানি বিশুদ্ধকরণ প্ল্যান্টের মতো বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুও এই হামলার আওতায় আসতে পারে, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দেবে।

ইরাকি মিলিশিয়া, লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং ইয়েমেনের হুথিরা এই যুদ্ধে ইরানের হয়ে বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। হুথিরা ইতোমধ্যেই তাদের ‘রেড লাইন’ নির্ধারণ করে দিয়েছে। তারা লোহিত সাগরে মাইনের মাধ্যমে জাহাজ চলাচল বিপর্যস্ত করার সক্ষমতা রাখে। এছাড়া ইরান শুধু হরমুজ প্রণালি নয়, বরং বাব আল-মান্দাব প্রণালিতেও অস্থিরতা তৈরির হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

তেহরানের সামরিক সূত্রের দাবি, স্থল অভিযান শুরু হলে তারা নতুন রণক্ষেত্র খুলে দিয়ে শত্রুদের চমকে দেবে।

আরও পড়ুন