২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ১৫:৫১

শিরোনাম
মালয়েশিয়ার পথে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরের শেষে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন: বিমানমন্ত্রী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বড় পরিবর্তন আনছে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ, প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বগুড়ার ৩ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রোববার মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, এরপর চীন সফর বন্ধ কারখানাগুলোয় বিদেশি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সালমান শাহ হত্যা মামলার বিচারের দাবিতে ভক্তদের মানববন্ধন
শিরোনাম
মালয়েশিয়ার পথে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরের শেষে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন: বিমানমন্ত্রী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বড় পরিবর্তন আনছে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ, প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বগুড়ার ৩ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রোববার মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, এরপর চীন সফর বন্ধ কারখানাগুলোয় বিদেশি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সালমান শাহ হত্যা মামলার বিচারের দাবিতে ভক্তদের মানববন্ধন

অবিভক্ত বাংলাকে পাকিস্তানে যুক্ত করার ষড়যন্ত্র হয়েছিল: নরেন্দ্র মোদি

অবিভক্ত বাংলাকে পাকিস্তানে যুক্ত করার ষড়যন্ত্র হয়েছিল: নরেন্দ্র মোদি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১ জুন, ২০২৬, ১৪:১৯

দেশভাগের সময় অবিভক্ত বাংলাকে পাকিস্তানের অংশ করার একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র হয়েছিল বলে দাবি করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, রক্তপাত ও দেশভাগের পরও বাংলা তার নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচয় ও ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রাখতে সক্ষম হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্ট–এর বরাতে জানা যায়, শনিবার (২০ জুন) পশ্চিমবঙ্গ দিবসের রাজ্য পর্যায়ের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইতিহাস ও রাজনীতির বিভিন্ন প্রসঙ্গ তুলে ধরেন মোদি।

তিনি পশ্চিমবঙ্গ গঠনের আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং পরবর্তী সময়ের রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে সেই ঐতিহাসিক অবদান আড়াল করার অভিযোগ তোলেন।

দেশভাগ-পূর্ব পরিস্থিতি নিয়ে মোদি বলেন, তখন পুরো অবিভক্ত বাংলাকে পাকিস্তানের অংশ করার একটি “গভীর ষড়যন্ত্র” চলছিল। তার দাবি, সেই সময়ে কংগ্রেস “ষড়যন্ত্রকারী শক্তির” কাছে নতি স্বীকার করেছিল, তবে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি এর বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেন।

তিনি আরও বলেন, মুখার্জি ‘বাঙালি হিন্দু হোমল্যান্ড’ আন্দোলনের সূচনা করেন এবং এতে বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা, ইতিহাসবিদ আর. সি. মজুমদার, যদুনাথ সরকার, ভাষাবিদ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়সহ বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তি যুক্ত ছিলেন। শিল্পপতি জি.ডি. বিড়লা এবং মতুয়া নেতা পি.আর. ঠাকুরও এই আন্দোলনে সমর্থন দেন।

মোদির মতে, এই আন্দোলনের ফলে অবিভক্ত বাংলাকে সম্পূর্ণভাবে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব হয়নি এবং পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হিসেবে থেকে যায়।

তিনি ১৯৪৬ সালের কলকাতার দাঙ্গা ও নোয়াখালীর সহিংসতার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, দেশভাগের সেই রক্তক্ষয়ী ইতিহাসের পরও বাংলা তার নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচয় ধরে রেখেছে।

পশ্চিমবঙ্গ দিবসকে ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মের এই ইতিহাস জানা জরুরি। তার ভাষায়, ২০ জুন শুধু একটি তারিখ নয়, এটি বাংলার ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মারক।

কংগ্রেস, বামফ্রন্ট ও তৃণমূল কংগ্রেসকে সমালোচনা করে মোদি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের গুরুত্ব ইচ্ছাকৃতভাবে কমিয়ে দেখা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অব্যবস্থাপনার কারণে পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতি দুর্বল হয়েছে এবং অনুপ্রবেশের সমস্যা বেড়েছে।

তিনি দাবি করেন, শিল্পপ্রতিষ্ঠান রাজ্য ছেড়ে গেছে, কর্মসংস্থান কমেছে এবং অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা সম্পদের ওপর প্রভাব বিস্তার করেছে।

শেষে তিনি পশ্চিমবঙ্গকে নতুনভাবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার কথা বলেন।

আরও পড়ুন