২৯ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ০১:১২

শিরোনাম
জ্বালানি ও বিনিয়োগে সম্পর্ক গভীর করতে দুই প্রধানমন্ত্রীর আলোচনা ১২ আগস্ট দেখা যাবে বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ শাহজালাল বিমানবন্দরে ৯২ লাখ টাকার স্বর্ণ উদ্ধার, আটক ২ প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক ১৫৭ বছরের পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রথম পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
শিরোনাম
জ্বালানি ও বিনিয়োগে সম্পর্ক গভীর করতে দুই প্রধানমন্ত্রীর আলোচনা ১২ আগস্ট দেখা যাবে বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ শাহজালাল বিমানবন্দরে ৯২ লাখ টাকার স্বর্ণ উদ্ধার, আটক ২ প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক ১৫৭ বছরের পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রথম পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

বাস থেকে বের করা হচ্ছে একের পর এক মরদেহ

বাস থেকে বের করা হচ্ছে একের পর এক মরদেহ

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬ মার্চ, ২০২৬, ০০:০০

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় পদ্মায় ডুবে যাওয়া বাসটি আস্তে আস্তে টেনে তেলা হচ্ছে। উদ্ধারকারী জাহাজ হামজার ক্রেন দিয়ে বাসটির সামনের অর্ধেক অংশ ইতোমধ্যে উপরে তোলা হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নদীর পানির নিচে থাকা বাসটির সামনের অংশ উদ্ধার করা হলে একের পর এক মরদেহ বের করতে দেখা যায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলকে।

বাসের দরজা ভেঙে গেছে। বাসের ভেতর থেকে স্কুল ব্যাগ, জুতা-স্যান্ডেল, ভ্যানিটি ব্যাগ ও অন্যান্য ব্যাগ ভেসে উঠতে দেখা গেছে। উদ্ধার কাজে সহযোগির জন্য তিনটি অ্যাম্বুলেন্স রাখা হয়েছে। 

পদ্মার পাড়ে ছোট বোন ফাতেমা তুজ জোহরা ও জামাই কাজী সাইফ আহমেদের খোঁজে এসেছেন রোকন। তিনি বলেন, আমার বন্ধুর ছোট বোন ও তার জামাই আজকে সাড়ে ৩ টার বাসে রাজবাড়ী থেকে সৌহার্দ্য পরিবহনে ঢাকায় যাচ্ছিল। পরে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দৌলোদিয়ার পদ্মা নদীতে তলিয়ে যায়। আমরা সাড়ে পাঁচটার দিকে সংবাদ পাওয়ার পর দৌলোদিয়া ঘাটে এসেছি। কিন্তু আমার ছোট বোন ও তার জামাইয়ের এখনও  সন্ধান পাইনি। তাদের অপেক্ষায় আমরা রয়েছি।

শরিফুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি বলেন, রাজবাড়ী থেকে আমার স্ত্রী, ছেলে সন্তান, মেয়ে সন্তান, ভাগ্নি ও ভাগ্নির ছেলে সৌহার্দ্য পরিবহন বাসে ওঠে। ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস নদীতে পড়ে যাওয়ার পর আমার স্ত্রী, মেয়ে ও ভাগ্নি স্থানীয়দের সহযোগিতায় সাঁতরে পাড়ে উঠতে পারলেও আমার সাত বছরের ছেলে সন্তান ও এগারো বছর বয়সের ভাগ্নে এখনও নিখোঁজ রয়েছে। উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা আসলেও এখনও উদ্ধার অভিযান শুরু করেনি। আমার ছেলে ও ভাগ্নেতো আর নেই, এখন তাদের লাশটা আমাকে বুঝিয়ে দিক। আমার টাকার দরকার নেই, আমার সন্তানের লাশটা তারা আমাকে বুঝিয়ে দিক। আমার আর কিচ্ছু লাগবে না, আমার সব শেষ।

নবীজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি তার দুই নাতির জন্য অপেক্ষা করছেন। তিনি কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার নাতি ও নাতনি বাসের মধ্যে ছিল। তার জন্য অপেক্ষা করছি। আল্লাহ আমার দুইটারে ফিরিয়ে দাও।

আরও পড়ুন