০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১১:১৫

শিরোনাম
জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
শিরোনাম
জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মেঘনায় বিলীন ভোলার মাঝেরচর, ঘরহারা ১০ হাজার মানুষ

মেঘনায় বিলীন ভোলার মাঝেরচর, ঘরহারা ১০ হাজার মানুষ

প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১৩:৫১

ভোলার সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের বিচ্ছিন্ন মাঝেরচর গ্রামটি আজ মেঘনা নদীর ভয়াবহ ভাঙনের কবলে। এক সময়ের শস্যভাণ্ডারখ্যাত গ্রামটি এখন শুধুই নদীগর্ভে হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস। ইতোমধ্যে গ্রামের প্রায় চার-পঞ্চমাংশ বিলীন হয়ে গেছে, বাকি অংশও মারাত্মক হুমকির মুখে।

৯০-এর দশকে জেগে ওঠা এই চরে আট মাস আগেও বসবাস করতেন প্রায় ১০ হাজার মানুষ। এখন বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে নদীর তীরে টং ঘর, গরুর ঘরের পাশে একচালা টিনের ঘরে আশ্রয় নিয়েছেন।

নদীভাঙনে ৬টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের মধ্যে ৫টি বিলীন হয়ে গেছে। মেঘনার করাল গ্রাসে হারিয়েছে:

১টি মাটির কিল্লা,২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,২টি মাদরাসা,৩টি মসজিদ,১টি কমিউনিটি ক্লিনিক,শত শত বসতভিটা ও ফসলি জমি। 

১৭৯ নং উত্তর-পশ্চিম কাচিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস এখন চলছে একটি পরিত্যক্ত সাইক্লোন শেল্টারে। কমিউনিটি ক্লিনিক চলছে মাটির কিল্লার একটি কোণে।

জেলে মো. কালু ও তার স্ত্রী মেহের নিগার জানান, এক রাতেই ঘরবাড়ি সব নদীতে চলে গেছে। আরেক বাসিন্দা জাহানারা বেগম কাঁদতে কাঁদতে বলেন, “স্যার, এই মেঘনা নদী আমাগো সব লইয়া গেছে। এহন খোলা আকাশের নিচে আছি।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, এত বড় ভাঙন সত্ত্বেও পানি উন্নয়ন বোর্ড দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

এ বিষয়ে ভোলা পানি উন্নয়ন বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দিন আরিফ বলেন, “বিষয়টি আমরা জানি। বর্ষা শেষে প্রকল্প নেওয়া হবে।”

আরও পড়ুন