২৮ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৩:০৮

শিরোনাম
প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক ১৫৭ বছরের পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রথম পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন আগামীকাল থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট মাদকবিরোধী লড়াইকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: মির্জা ফখরুল
শিরোনাম
প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক ১৫৭ বছরের পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রথম পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন আগামীকাল থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট মাদকবিরোধী লড়াইকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: মির্জা ফখরুল

মেঘনায় বিলীন ভোলার মাঝেরচর, ঘরহারা ১০ হাজার মানুষ

মেঘনায় বিলীন ভোলার মাঝেরচর, ঘরহারা ১০ হাজার মানুষ

প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১৩:৫১

ভোলার সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের বিচ্ছিন্ন মাঝেরচর গ্রামটি আজ মেঘনা নদীর ভয়াবহ ভাঙনের কবলে। এক সময়ের শস্যভাণ্ডারখ্যাত গ্রামটি এখন শুধুই নদীগর্ভে হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস। ইতোমধ্যে গ্রামের প্রায় চার-পঞ্চমাংশ বিলীন হয়ে গেছে, বাকি অংশও মারাত্মক হুমকির মুখে।

৯০-এর দশকে জেগে ওঠা এই চরে আট মাস আগেও বসবাস করতেন প্রায় ১০ হাজার মানুষ। এখন বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে নদীর তীরে টং ঘর, গরুর ঘরের পাশে একচালা টিনের ঘরে আশ্রয় নিয়েছেন।

নদীভাঙনে ৬টি আশ্রয়ণ প্রকল্পের মধ্যে ৫টি বিলীন হয়ে গেছে। মেঘনার করাল গ্রাসে হারিয়েছে:

১টি মাটির কিল্লা,২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,২টি মাদরাসা,৩টি মসজিদ,১টি কমিউনিটি ক্লিনিক,শত শত বসতভিটা ও ফসলি জমি। 

১৭৯ নং উত্তর-পশ্চিম কাচিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস এখন চলছে একটি পরিত্যক্ত সাইক্লোন শেল্টারে। কমিউনিটি ক্লিনিক চলছে মাটির কিল্লার একটি কোণে।

জেলে মো. কালু ও তার স্ত্রী মেহের নিগার জানান, এক রাতেই ঘরবাড়ি সব নদীতে চলে গেছে। আরেক বাসিন্দা জাহানারা বেগম কাঁদতে কাঁদতে বলেন, “স্যার, এই মেঘনা নদী আমাগো সব লইয়া গেছে। এহন খোলা আকাশের নিচে আছি।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, এত বড় ভাঙন সত্ত্বেও পানি উন্নয়ন বোর্ড দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

এ বিষয়ে ভোলা পানি উন্নয়ন বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দিন আরিফ বলেন, “বিষয়টি আমরা জানি। বর্ষা শেষে প্রকল্প নেওয়া হবে।”

আরও পড়ুন