কুয়েতে মার্কিন সামরিক রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮ জুলাই, ২০২৬, ২০:৫৯
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আলী আল সালেম বিমানঘাঁটির একটি সামরিক রাডার স্থাপনা ধ্বংস করেছে। ক্যাম্প আরিফজানে মার্কিন সেনাদের জড়ো হওয়ার একটি স্থানে হামলা চালানোরও দাবি করেছে তারা। অপারেশন নাসর-২ অভিযানের অংশ হিসেবে এসব হামলা চালানো হয়েছে।
আজ শনিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, তাদের স্থল বাহিনী ক্যাম্প আরিফজানে মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি রসদ সরবরাহকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে। এতে কয়েকজন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ড্রোন হামলা চালিয়ে আলী আল সালেম বিমানঘাঁটির রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে। ইরানি বাহিনী একটি অস্ত্র রক্ষণাবেক্ষণ হ্যাঙ্গার ও ড্রোন রাখার একটি স্থানে হামলা চালিয়েছে।
স্থল বাহিনীর পাল্টা অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছে আইআরজিসি।
বিপ্লবী বাহিনীর অভিযোগ, সরাসরি যুদ্ধে সফল না হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র এখন বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালাচ্ছে। তাদের দাবি, যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে যুক্তরাষ্ট্র হাসপাতাল, সেতু, রেললাইন, বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর, টেলিযোগাযোগ কেন্দ্র ও সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালিয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, স্থল বাহিনীর প্রতিশোধমূলক অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আইআরজিসি আলাদা আরেকটি বিবৃতিতে বলেছে, গত রাতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে তাদের নৌবাহিনী সমন্বিতভাবে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
বিবৃতিতে দাবি করা হয়, ইরানি বাহিনী কুয়েতের আল আহমাদি বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবহরের জ্বালানি সরবরাহ ঘাঁটি, বাহরাইনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক বিমানের একটি স্থাপনা এবং বাহরাইনে বাতেলকো নামের একটি গোয়েন্দা তথ্যকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে। আইআরজিসির নৌবাহিনী কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সংকেত ও যোগাযোগকেন্দ্র ধ্বংস করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই অভিযান পরিচালনার সময় আইআরজিসির নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে।
আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে তারা আরও বিস্তৃতভাবে জবাব দেবে। একই সময়ে ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা ভারত মহাসাগরে একটি মার্কিন জাহাজে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
ইরানের দাবি, গত ৭ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একতরফাভাবে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র একাধিকবার দেশটির ভূখণ্ডে হামলা চালিয়েছে। তেহরানের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সাম্প্রতিক যৌথ আগ্রাসনের অংশ।
ইরান আরও বলেছে, গত মাসে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হলেও এসব হামলা বন্ধ হয়নি। ওই সমঝোতার প্রথম শর্ত ছিল সব ধরনের সামরিক আগ্রাসন বন্ধ রাখা।
প্রতিফলন/টিএস
আরও পড়ুন
- • শাকিব খানের স্পর্শে খারাপ লাগেনি, জানালেন সাবিলা নূর
- • রাজধানীর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে বসছে ১ হাজার নতুন ক্যামেরা
- • প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- • ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক
- • ১৫৭ বছরের পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার
- • স্নিগ্ধা পুর্বপরিকল্পিত ব্ল্যাকমেইল করেছে, দাবি আশিয়ান গ্রুপের
- • জাপানে ৭.১ মাত্রার কম্পন, শপিংমলে আটকা বহু মানুষ
- • ফ্যামিলি কার্ডের লোভ দেখিয়ে ‘মধ্যরাতের ডাক’!
- • প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা
- • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ
- • আলোচনায় বসতে ‘ব্যাকুল হয়ে উঠেছে’ ইরান: ট্রাম্প
- • ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলার
- • ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোকে জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে দেখতে চান ট্রাম্প
- • ফিফা সভাপতি ইনফ্যান্তিনোর পদত্যাগ চান স্পেনের লা লিগা সভাপতি
- • ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের
- • পদত্যাগের পরই রাষ্ট্রপতিকে গ্রেফতার দাবি জানান নাহিদ
- • ইরানে ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর সফর, শান্তি ও বাণিজ্যে জোর
- • শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপের বিষয়কে গুজব বলে উড়িয়ে দিলেন রাষ্ট্রপতি
