রাজধানীর সব বাড়িওয়ালা-ভাড়াটিয়াকে সিআইএমএসে নিবন্ধনের আহ্বান ডিএমপির
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:০৩
রাজধানীতে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সিটিজেন ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিআইএমএস) কার্যক্রম জোরদার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এ কার্যক্রমের আওতায় ঢাকায় বসবাসরত বাড়িওয়ালা, ভাড়াটিয়া ও মেস সদস্যদের মৌলিক তথ্য নিবন্ধন, সংরক্ষণ ও নিয়মিত হালনাগাদ করা হচ্ছে।
ডিএমপি জানায়, নগরজুড়ে নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে ২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর রমনা থানা থেকে সফটওয়্যারভিত্তিক সিআইএমএস কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। পরে ২০১৭ সালে এটি রাজধানীর সব থানায় সম্প্রসারণ করা হয় এবং ২০১৯ সালে নাগরিকদের নিবন্ধন সহজ করতে চালু করা হয় সিআইএমএস মোবাইল অ্যাপ।
বর্তমানে সিআইএমএস ডাটাবেজে প্রায় ৩৬ লাখ ৭৩ হাজার ২৩৮টি পরিবারের নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। এতে ৫০ লাখের বেশি নাগরিকের তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে। ব্যক্তি থেকে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানীতে বসবাসরত সব নাগরিককে এ কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ডিএমপি।
পুলিশের ভাষ্য, সিআইএমএসে সংরক্ষিত হালনাগাদ তথ্য বিট পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করে। পাশাপাশি অপরাধ প্রতিরোধ, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তি শনাক্ত, সন্দেহভাজনের পরিচয় যাচাই এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত তথ্য সংগ্রহ ও ব্যবহারে এই তথ্যভান্ডার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ডিএমপি জানায়, ঢাকা মহানগরের প্রতিটি থানা ও পুলিশ ফাঁড়িতে সিআইএমএসের নিবন্ধন ফরম পাওয়া যায়। নাগরিকরা ফরম পূরণ করে সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দিতে পারবেন। ফরম জমা দেওয়ার আগে একটি ফটোকপি নিজের কাছে সংরক্ষণ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ঠিকানা পরিবর্তন হলে নতুন এলাকার সংশ্লিষ্ট থানায় পুনরায় নিবন্ধন করতে হবে।
ডিএমপির তথ্যমতে, প্রতিটি থানা একাধিক বিটে বিভক্ত এবং প্রতিটি বিটে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিট অফিসার রয়েছেন। প্রয়োজনে নাগরিকরা সরাসরি বিট অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশি সহায়তা নিতে পারবেন।
সংস্থাটি আরও জানায়, সিআইএমএসে নিবন্ধনের মাধ্যমে বাড়িওয়ালারা ভাড়াটিয়ার পরিচয় সহজেই নিশ্চিত করতে পারেন। এতে অপরাধী বা প্রতারকদের আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ কমে যায় এবং বাড়িওয়ালারাও অযথা হয়রানির ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা পান।
অন্যদিকে, ভাড়াটিয়ারা সংশ্লিষ্ট বিট অফিসারের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে দ্রুত আইনি সহায়তা এবং পরিচয় যাচাইয়ের সুবিধা পান।
ডিএমপির মতে, সিআইএমএস ডাটাবেজ অপরাধ তদন্তেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নিবন্ধিত তথ্যের মাধ্যমে পলাতক অপরাধী শনাক্ত, সন্দেহভাজনের তথ্য যাচাই এবং দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ সহজ হচ্ছে। একই সঙ্গে বিট পুলিশিং কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি জনগণ ও পুলিশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বাড়ছে।
নিরাপদ, স্মার্ট ও অপরাধমুক্ত ঢাকা গড়ে তুলতে রাজধানীর সব বাড়িওয়ালা, ভাড়াটিয়া ও মেস সদস্যকে সিআইএমএসে নিবন্ধন সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
ডিএমপির আহ্বান, ‘নিজের তথ্য নিবন্ধন করুন, নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন এবং নিরাপদ ঢাকা গড়তে সহযোগিতা করুন।’
আরও পড়ুন
- • শাকিব খানের স্পর্শে খারাপ লাগেনি, জানালেন সাবিলা নূর
- • রাজধানীর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে বসছে ১ হাজার নতুন ক্যামেরা
- • প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- • ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক
- • ১৫৭ বছরের পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার
- • স্নিগ্ধা পুর্বপরিকল্পিত ব্ল্যাকমেইল করেছে, দাবি আশিয়ান গ্রুপের
- • জাপানে ৭.১ মাত্রার কম্পন, শপিংমলে আটকা বহু মানুষ
- • ফ্যামিলি কার্ডের লোভ দেখিয়ে ‘মধ্যরাতের ডাক’!
- • প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা
- • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ
- • আলোচনায় বসতে ‘ব্যাকুল হয়ে উঠেছে’ ইরান: ট্রাম্প
- • ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলার
- • ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোকে জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে দেখতে চান ট্রাম্প
- • ফিফা সভাপতি ইনফ্যান্তিনোর পদত্যাগ চান স্পেনের লা লিগা সভাপতি
- • ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের
- • পদত্যাগের পরই রাষ্ট্রপতিকে গ্রেফতার দাবি জানান নাহিদ
- • ইরানে ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর সফর, শান্তি ও বাণিজ্যে জোর
- • শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপের বিষয়কে গুজব বলে উড়িয়ে দিলেন রাষ্ট্রপতি
