১৫ জুন ২০২৬, সোমবার, ১৭:৫০

শিরোনাম
১৫ বছরে দেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ঢাকার তিন বাস টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহণে জিপিএস বাধ্যতামূলক ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নিয়ম দীর্ঘ বিরতির পর চালু হচ্ছে ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার, আজই জানানো হবে সিদ্ধান্ত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানাল বাংলাদেশ
শিরোনাম
১৫ বছরে দেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ঢাকার তিন বাস টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহণে জিপিএস বাধ্যতামূলক ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নিয়ম দীর্ঘ বিরতির পর চালু হচ্ছে ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার, আজই জানানো হবে সিদ্ধান্ত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানাল বাংলাদেশ

ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার হয়ে লড়তে গিয়ে ৩৪ বাংলাদেশির মৃত্যু

ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার হয়ে লড়তে গিয়ে ৩৪ বাংলাদেশির মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৪ মার্চ, ২০২৬, ০২:৩৮

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অন্তত ৩৪ জন বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন। মূলত প্রতারণা, বলপ্রয়োগ ও মানবপাচারের শিকার হয়ে এসব বাংলাদেশি পুরুষ রুশ বাহিনীর হয়ে সম্মুখসমরে অংশ নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন ‘ফর্টিফাই রাইটস’ ও ‘ট্রুথ হাউন্ডস’-এর এক যৌথ প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে।

“আমাকে কৌশলে যুদ্ধে জড়ানো হয়” শীর্ষক ৬২ পৃষ্ঠার ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অন্তত ১০৪ জন বাংলাদেশি এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছেন। দালাল চক্র নিরাপদ চাকরি বা বেসামরিক কাজের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের রাশিয়ায় নিয়ে যায়। সেখানে রুশ ভাষায় লেখা চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করিয়ে তাদের সামরিক স্থাপনায় স্থানান্তর করা হয়। ভুক্তভোগীদের দাবি, রাশিয়ায় পৌঁছানোর পরই তাদের জানানো হয় যে, তাদের যুদ্ধের জন্য ‘ক্রয়’ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে ফর্টিফাই রাইটসের পরিচালক জন কুইনলে বলেন, “প্রতারণার মাধ্যমে পাচারকৃত বাংলাদেশিদের রাশিয়ার অবৈধ যুদ্ধে অংশ নিতে বাধ্য করা হয়েছে। তাদের ওপর যে পরিমাণ নির্যাতন চালানো হয়েছে, তা নথিবদ্ধ তথ্যের চেয়েও অনেক বেশি।” ট্রুথ হাউন্ডস-এর ওকসানা পোকালচুক একে ‘সর্বোচ্চ মাত্রার শোষণ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ায় কেবল বাংলাদেশ নয়, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভারতের শত শত মানুষও এই পাচার চক্রের শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।

তদন্তে উঠে এসেছে, কোনো উল্লেখযোগ্য প্রশিক্ষণ ছাড়াই বাংলাদেশিদের সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়েছে। যুদ্ধের ময়দানে তারা স্থলমাইন ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছেন। পালানোর চেষ্টা করলে অনেককে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে, কেড়ে নেওয়া হয়েছে পাসপোর্ট। এদিকে দেশে থাকা পরিবারগুলো চড়া সুদে ঋণ নিয়ে প্রিয়জনকে বিদেশে পাঠিয়ে এখন শোক ও আর্থিক ধ্বংসের মুখে পড়েছে। মানবাধিকার সংগঠন দুটি এই পাচার চক্র ভেঙে দিতে এবং বেঁচে ফেরা ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা দিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি জরুরি আহ্বান জানিয়েছে।

আরও পড়ুন