০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৩:০৪

শিরোনাম
ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি
শিরোনাম
ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি

যুক্তরাজ্যে আশ্রয় জালিয়াতি, বাংলাদেশ-পাকিস্তানিদের ‘সমকামী’ দাবির অভিযোগ

যুক্তরাজ্যে আশ্রয় জালিয়াতি, বাংলাদেশ-পাকিস্তানিদের ‘সমকামী’ দাবির অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৪৮

সম্প্রতী যুক্তরাজ্যের আশ্রয় ব্যবস্থায় বড় ধরনের জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। 

বিবিসির অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু আইনি উপদেষ্টা ও আইনজীবী সংস্থা হাজার হাজার পাউন্ডের বিনিময়ে ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি অভিবাসীদের সমকামী পরিচয়ের ভুয়া দাবি তৈরি করে আশ্রয় আবেদন করতে সাহায্য করছে।

বিবিসির সাংবাদিকরা পাকিস্তানি ও বাংলাদেশি ছাত্র সেজে গোপনে অনুসন্ধান চালিয়ে দেখেছেন যে, উপদেষ্টারা ক্লায়েন্টদের জন্য পুরোপুরি জাল প্রমাণ তৈরি করে দিচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে রাতের ক্লাবে তোলা স্টেজড ছবি, এলজিবিটি ইভেন্টে অংশগ্রহণের প্রমাণ, চিকিৎসকের কাছ থেকে জাল মানসিক স্বাস্থ্য রিপোর্ট এবং বিভিন্ন সমর্থনপত্র। উপদেষ্টারা ক্লায়েন্টদের আশ্রয় সাক্ষাৎকারে কীভাবে অভিনয় করতে হবে তাও বিস্তারিত শিখিয়ে দিচ্ছেন। একটি ক্ষেত্রে এমন সেবার জন্য ৭ হাজার পাউন্ডেরও বেশি (প্রায় ১০ লাখ টাকার উপরে) ফি চাওয়া হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের আশ্রয় নিয়ম অনুসারে, যারা নিজ দেশে ফিরলে যৌন অভিমুখিতার কারণে নির্যাতন বা মৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়বেন, তাদের সুরক্ষা দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে সমকামিতা আইনত দণ্ডনীয় হওয়ায় এ ধরনের দাবি সহজেই গ্রহণযোগ্য হয়। কিন্তু বিবিসির তদন্তে উঠে এসেছে যে, অনেক ক্ষেত্রে এটি সত্যিকারের নয়, বরং ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর একটি সহজ উপায় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের হোম অফিসের তথ্য অনুসারে, ২০২৩ সালে যৌন অভিমুখিতার ভিত্তিতে ৩,৪৩০টি আশ্রয় আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে ৪২ শতাংশ এসেছে পাকিস্তান থেকে, যদিও সামগ্রিক আশ্রয় আবেদনে পাকিস্তানিদের অংশ মাত্র ৬ শতাংশ। বাংলাদেশ থেকেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আবেদন এসেছে। এই অস্বাভাবিক প্রবণতা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠেছে।

যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ এই প্রতিবেদনের পর কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “যৌন অভিমুখিতা বা লিঙ্গভিত্তিক নির্যাতনের সুরক্ষাকে যারা অপব্যবহার করছে, তাদের প্রতি আমার কোনো সহানুভূতি নেই। যারা ব্রিটিশ জনগণকে প্রতারিত করে দেশে থাকার চেষ্টা করবে, তাদের আশ্রয় আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হবে, সহায়তা বন্ধ করা হবে এবং দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে।”

মন্ত্রী আরও স্পষ্ট করে বলেন, “জাল আশ্রয় আবেদন সহায়তাকারী ভুয়া আইনজীবী ও উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে আইনের পূর্ণ শক্তি প্রয়োগ করা হবে।” 

সলিসিটরস রেগুলেশন অথরিটি (এসআরএ) ইতিমধ্যে বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লিখিত ফার্মগুলোর বিরুদ্ধে জরুরি তদন্ত শুরু করেছে।

আরও পড়ুন