ট্রাম্পের আহ্বানের পরও গাজায় ইসরায়েলি হামলা, নিহত ৭০
প্রকাশিত: ০৫ অক্টোবর, ২০২৫, ০৫:১৮
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসন অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির আহ্বানের পরই চালানো ব্যাপক বিমান হামলায় নারী-শিশুসহ আরও অন্তত ৭০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। শনিবার (৪ অক্টোবর) দিনভর এই হামলা চালানো হয়। ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ গোষ্ঠী হামাস জানিয়েছে, বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা কমানোর দাবি করলেও ইসরায়েল বাস্তবে তার নীতি থেকে সরে আসেনি।
রবিবার (৫ অক্টোবর) সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড জানায়, শনিবার ইসরায়েলি বাহিনী গাজার বিভিন্ন এলাকায় ৯৩টি বিমান হামলা পরিচালনা করে। গাজার গণমাধ্যম কার্যালয়ের তথ্যমতে, এই হামলায় ৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে শুধু গাজা’তেই প্রাণ হারিয়েছেন ৪৭ জন।
এই রক্তক্ষয়ী হামলার পর হামাস এক বিবৃতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, “নিরস্ত্র বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান কমানোর বিষয়ে যুদ্ধাপরাধী নেতানিয়াহুর সরকারের দাবি যে কতটা মিথ্যা, এই হামলা তা আবারও প্রমাণ করেছে।” হামাস ফিলিস্তিনিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং দুই বছর ধরে চলা “নিধনযজ্ঞ” ও গণঅনাহার বন্ধে ইসরায়েলের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে আরব ও ইসলামি দেশগুলোর প্রতি তাদের আইনগত ও মানবিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছে।
এই হামলা এমন এক সময়ে চালানো হলো, যখন যুদ্ধবিরতির জন্য কূটনৈতিক তৎপরতা চলছিল। শুক্রবারই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প “অবিলম্বে গাজায় বোমাবর্ষণ বন্ধ করার” জন্য ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানান। হামাস যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে ইসরায়েলি বন্দিদের মুক্তি দিতে প্রস্তুত, এমন খবর প্রকাশের পরই ট্রাম্প এই আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বিশ্বাস করেন, হামাস একটি “টেকসই শান্তির জন্য প্রস্তুত”।
এদিকে, এই উত্তেজনার মধ্যেই একটি আশার আলো দেখা দিয়েছে। শনিবার মিসর ঘোষণা করেছে যে, সোমবার (৬ অক্টোবর) কায়রোতে ইসরায়েলি ও হামাস প্রতিনিধিদলের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ধারণা করা হচ্ছে, এই বৈঠকে ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনা অনুযায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর এবং বন্দি বিনিময়ের বিষয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৯ সেপ্টেম্বর ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজস্ব ২০ দফা গাজা শান্তি পরিকল্পনা প্রকাশ করেন। এই পরিকল্পনায় একটি দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধবিরতি, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং সংঘাত বন্ধের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সকল ইসরায়েলি বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কায়রোর বৈঠকটি এই পরিকল্পনার ওপর ভিত্তি করেই এগোবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন
- • মায়ের মৃত্যু নিয়ে মুখ খুললেন বুয়েট অধ্যাপক ছেলে
- • অতিরিক্ত লিচু খেলে শিশুদের যেসব ঝুঁকি হতে পারে
- • জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা
- • দুপুরের মধ্যে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস আবহাওয়া অফিসের
- • ওমান উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলার দাবি ইরানের
- • পশ্চিমবঙ্গে চরম সংকটে তৃণমূল, কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা
- • বিশ্বকাপের সবচেয়ে দামি দল ফ্রান্স, শীর্ষে ইয়ামাল
- • জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত পাঁচ দেশ
- • ফ্রিল্যান্সারদের আয়ে থাকছে না সাড়ে সাত শতাংশ কর
- • ফ্লোরিডা নয়, ডোবার পাশেই মিলবে মশা দমনের শিক্ষা: প্রধানমন্ত্রী
- • বৈশ্বিক অস্থিরতায় স্বর্ণের দামে নতুন প্রভাব
- • পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ
- • জানা গেলো মৃত নুরজাহান বেগমের তিন ছেলে ও এক কন্যার পরিচয়
- • নতুন গানে পরীমণি
- • কোকোর কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান
- • প্রশাসনে বড় রদবদল, সাত অতিরিক্ত সচিবকে নতুন দায়িত্ব
- • লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলার জবাবে হিজবুল্লাহর দফায় দফায় পাল্টা হামলা
- • দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি নেই: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
