২৮ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৩:৫৯

শিরোনাম
১২ আগস্ট দেখা যাবে বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ শাহজালাল বিমানবন্দরে ৯২ লাখ টাকার স্বর্ণ উদ্ধার, আটক ২ প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক ১৫৭ বছরের পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রথম পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন
শিরোনাম
১২ আগস্ট দেখা যাবে বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ শাহজালাল বিমানবন্দরে ৯২ লাখ টাকার স্বর্ণ উদ্ধার, আটক ২ প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক ১৫৭ বছরের পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রথম পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন

“যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ ও অস্ত্র ছাড়া ইসরায়েলের পক্ষে এত বড় ধ্বংসযজ্ঞ চালানো অসম্ভব”

“যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ ও অস্ত্র ছাড়া ইসরায়েলের পক্ষে এত বড় ধ্বংসযজ্ঞ চালানো অসম্ভব”

প্রকাশিত: ০৭ অক্টোবর, ২০২৫, ১৭:২৯

যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের 'কস্ট অব ওয়ার প্রজেক্ট' সম্প্রতি প্রকাশিত দুই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত দুই বছরে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের চালানো যুদ্ধগুলো—বিশেষ করে গাজা, ইরান ও ইয়েমেনে হামলা—যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ও সামরিক সহায়তা ছাড়া সম্ভব হতো না।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়কালে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে দিয়েছে প্রায় ২১.৭ বিলিয়ন ডলার, যা দিয়ে গাজায় গণহত্যা, ইরানে আক্রমণ ও ইয়েমেনে বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে দেশটি। মার্কিন সহায়তা না পেলে এসব অভিযানে ইসরায়েলের পক্ষে দীর্ঘ সময় ধরে অংশ নেওয়া সম্ভব হতো না।

গাজায় হামলায় এখন পর্যন্ত ৬৭ হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং ১ লাখ ৬৯ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন। এছাড়া, ইয়েমেন ও ইরানেও হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এ সহায়তার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও অস্ত্র শিল্পের স্বার্থও জড়িত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। গবেষক উইলিয়াম হার্টাং বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ ও অস্ত্র ছাড়া ইসরায়েলের পক্ষে এত বড় ধ্বংসযজ্ঞ চালানো অসম্ভব।”

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ব্যয় কমলেও ইসরায়েলের জন্য বরাদ্দ সবসময়ই নিরবিচারে বাড়ছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ৩১ থেকে ৩৩ বিলিয়ন ডলার মার্কিন ব্যয়ে ইসরায়েলের সামরিক কার্যক্রমে খরচ হয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আসন্ন মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জন্য এই ইস্যু বড় চাপ হয়ে উঠতে পারে। কারণ সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, ৪০% ইহুদি নাগরিক মনে করেন গাজায় ইসরায়েল গণহত্যা চালাচ্ছে এবং ৬০% এর বেশি বলেন, তারা যুদ্ধাপরাধ করছে।

আরও পড়ুন