২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ০১:৩২

শিরোনাম
চার দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী ভারতের সাথে 'ডিভোর্স' হতে পারে না: জিএম সিরাজ চীন সফরে ২৪টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার আলোচনা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তুরস্কের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার সম্ভাবনা কম ঢাকায় রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের ব্যাখ্যা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা প্রধানমন্ত্রীর
শিরোনাম
চার দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী ভারতের সাথে 'ডিভোর্স' হতে পারে না: জিএম সিরাজ চীন সফরে ২৪টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার আলোচনা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তুরস্কের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার সম্ভাবনা কম ঢাকায় রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের ব্যাখ্যা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা প্রধানমন্ত্রীর

যুক্তরাষ্ট্রের ২০০ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করল ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের ২০০ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৪ মার্চ, ২০২৬, ২১:৫৭

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির হত্যাকাণ্ডের পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে শুরু হওয়া রক্তক্ষয়ী সংঘাতের মাত্র চার দিনেই বড় ধরনের আর্থিক ও সামরিক ক্ষতির মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা ও গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে জানা গেছে, এই চার দিনের লড়াইয়ে ওয়াশিংটনের প্রায় ২ বিলিয়ন বা ২০০ কোটি ডলার সমমূল্যের অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে।

সংঘাতের শুরু থেকেই কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইনসহ মোট সাতটি মার্কিন ঘাঁটিতে বৃষ্টির মতো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি এসেছে কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে। সেখানে ইরানের নিখুঁত নিশানায় যুক্তরাষ্ট্রের ১.১ বিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি ‘এএন/এফপিএস-১৩২’ আর্লি ওয়ার্নিং রাডার সিস্টেম সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। কাতার প্রশাসন ইতোমধ্যে এই কৌশলগত সম্পদটি ধ্বংস হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে।

এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-রুওয়াইস এলাকায় অবস্থিত ৫০০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের ‘থাড’ (THAAD) অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেমের রাডারটিও ইরানের হামলায় গুঁড়িয়ে গেছে বলে স্যাটেলাইট চিত্রে ধরা পড়েছে। আকাশসীমার সুরক্ষায় নিয়োজিত আধুনিক সরঞ্জাম হারানোর পাশাপাশি কুয়েতে ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’ বা ভুলবশত নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আঘাতে তিনটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল যুদ্ধবিমান হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যার বাজারমূল্য প্রায় ২৮২ মিলিয়ন ডলার। তবে সৌভাগ্যবশত বিমানের ছয়জন ক্রু সদস্যই প্যারাস্যুটের মাধ্যমে নিরাপদে নেমে আসতে সক্ষম হয়েছেন।

অন্যদিকে, বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরে ইরানি হামলায় দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন টার্মিনাল ও বেশ কিছু স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে। ইরাকের এরবিল এবং আমিরাতের জাবেল আলী বন্দরেও হামলার খবর পাওয়া গেছে। এই সংঘাতের রেশ এখন কেবল সামরিক ঘাঁটিতেই সীমাবদ্ধ নেই; সৌদি আরব, কুয়েত ও আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করছে ইরান।

আরও পড়ুন