যশোরে লাইসেন্স ছাড়া চলছে ২৭৩ ক্লিনিক-ল্যাব
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ২০:৫৬
যশোরে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা খাতে চরম অরাজকতা ও রোগীদের সাথে ভয়াবহ প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, জেলাজুড়ে ৩০৯টি অনুমোদিত ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে ২৭৩ টিরই কোনো হালনাগাদ লাইসেন্স নেই।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, যশোর জেলার আট উপজেলায় মোট ৩০৯টি অনুমোদিত ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এর মধ্যে ১২০টি ক্লিনিক ও ১৮৯টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
যশোর শহরসহ সদর উপজেলার মধ্যে রয়েছে নামে-বেনামে ১৪৫টি প্রতিষ্ঠান নামমাত্র অনুমোদনে বা বিনা লাইসেন্সেই চলছে সিংহভাগ প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকগুলো আবাসিক ভবন বা ঘিঞ্জি গলিতে গড়ে উঠলেও যথাযথ তদারকির অভাবে মালিকরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। সেবার নামে সাধারণ মানুষের 'পকেট কাটা'র মহোৎসবে মেতেছেন কিছু অসাধু ক্লিনিক মালিক।
যশোর জেনারেল হাসপাতালকে কেন্দ্র করে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা বেসরকারি সেবা কেন্দ্রগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— কিংস মেডিকেল সার্ভিসিং অ্যান্ড হসপিটাল, ডক্টর চেম্বার, আল হায়াত হসপিটাল, ডিএনএ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সিটি হসপিটাল, পপুলার মেডিকেল সার্ভিসেস, গ্রীন লাইফ এবং নোভা মেডিকেল সেন্টারসহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান। এসব ক্লিনিকে দক্ষ জনবল বা প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকলেও বড় বড় সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রোগীদের আকৃষ্ট করা হয়। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে অস্ত্রোপচারের মতো স্পর্শকাতর কাজ চললেও মাঝেমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়, যা শেষ পর্যন্ত ফাইলবন্দী হয়েই থাকে। এমনকি বন্ধ করে দেওয়া অনেক প্রতিষ্ঠান 'বিশেষ ব্যবস্থাপনায়' আবারও চালু হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, গ্রাম থেকে আসা রোগীদের টার্গেট করতে এসব ক্লিনিক ও হাসপাতাল অসংখ্য দালাল নিয়োগ করেছে। এই দালালরা উন্নত চিকিৎসার প্রলোভন দেখিয়ে সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে নিম্নমানের ক্লিনিকে নিয়ে যায়। সেখানে প্যাথলজিক্যাল টেস্টের নামে দ্বিগুণ-তিনগুণ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয় এবং অনেক সময় পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া রিপোর্ট প্রদান করা হয়। ল্যাবগুলোতে দক্ষ টেকনোলজিস্ট না থাকায় ভুল রিপোর্টের কারণে রোগীরা প্রায়ই ভুল চিকিৎসার শিকার হচ্ছেন।
শহরের বাসিন্দা মাহফুজ হোসেন ও জিয়াউল হাসান জানান, নিয়মিত তদারকি ও কার্যকর অভিযানের অভাবেই ক্লিনিক মালিকরা এমন বেপরোয়া। ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করলেও কিছুদিন পর তারা পুরোনো চেহারায় ফিরে আসে। অসহায় রোগীদের কণ্ঠে ঝরে পড়ছে আক্ষেপ, তারা বলছেন, 'ব্যবস্থাপত্রে ডাক্তার যে-সব পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন, সেগুলো করতে গিয়ে তারা ফতুর হওয়ার উপক্রম হন। সরকারি হারের চেয়ে বেসরকারি ল্যাবের পরীক্ষার খরচ অনেক বেশি, যদিও তার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।'
এ বিষয়ে যশোরের সিভিল সার্জন ডাক্তার মাসুদ রানা কঠোর ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়ে বলেন, 'সরকার থেকে কঠোর নির্দেশনা রয়েছে অবৈধ সেবা প্রতিষ্ঠান বন্ধের। আমরা অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর তালিকা তৈরি করেছি। যাদের লাইসেন্স নেই বা শর্ত পূরণ করছে না, তাদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছে। জনস্বাস্থ্যের সাথে আপোশ করার কোনো সুযোযশোর জেনারেল হাসপাতালকে কেন্দ্র করে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা বেসরকারি সেবা কেন্দ্রগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— কিংস মেডিকেল সার্ভিসিং অ্যান্ড হসপিটাল, ডক্টর চেম্বার, আল হায়াত হসপিটাল, ডিএনএ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সিটি হসপিটাল, পপুলার মেডিকেল সার্ভিসেস, গ্রীন লাইফ এবং নোভা মেডিকেল সেন্টারসহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান। এসব ক্লিনিকে দক্ষ জনবল বা প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকলেও বড় বড় সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রোগীদের আকৃষ্ট করা হয়। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে অস্ত্রোপচারের মতো স্পর্শকাতর কাজ চললেও মাঝেমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়, যা শেষ পর্যন্ত ফাইলবন্দী হয়েই থাকে। এমনকি বন্ধ করে দেওয়া অনেক প্রতিষ্ঠান 'বিশেষ ব্যবস্থাপনায়' আবারও চালু হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, গ্রাম থেকে আসা রোগীদের টার্গেট করতে এসব ক্লিনিক ও হাসপাতাল অসংখ্য দালাল নিয়োগ করেছে। এই দালালরা উন্নত চিকিৎসার প্রলোভন দেখিয়ে সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে নিম্নমানের ক্লিনিকে নিয়ে যায়। সেখানে প্যাথলজিক্যাল টেস্টের নামে দ্বিগুণ-তিনগুণ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয় এবং অনেক সময় পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া রিপোর্ট প্রদান করা হয়। ল্যাবগুলোতে দক্ষ টেকনোলজিস্ট না থাকায় ভুল রিপোর্টের কারণে রোগীরা প্রায়ই ভুল চিকিৎসার শিকার হচ্ছেন।
শহরের বাসিন্দা মাহফুজ হোসেন ও জিয়াউল হাসান জানান, নিয়মিত তদারকি ও কার্যকর অভিযানের অভাবেই ক্লিনিক মালিকরা এমন বেপরোয়া। ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করলেও কিছুদিন পর তারা পুরোনো চেহারায় ফিরে আসে। অসহায় রোগীদের কণ্ঠে ঝরে পড়ছে আক্ষেপ, তারা বলছেন, 'ব্যবস্থাপত্রে ডাক্তার যে-সব পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন, সেগুলো করতে গিয়ে তারা ফতুর হওয়ার উপক্রম হন। সরকারি হারের চেয়ে বেসরকারি ল্যাবের পরীক্ষার খরচ অনেক বেশি, যদিও তার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।'
এ বিষয়ে যশোরের সিভিল সার্জন ডাক্তার মাসুদ রানা কঠোর ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়ে বলেন, 'সরকার থেকে কঠোর নির্দেশনা রয়েছে অবৈধ সেবা প্রতিষ্ঠান বন্ধের। আমরা অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর তালিকা তৈরি করেছি। যাদের লাইসেন্স নেই বা শর্ত পূরণ করছে না, তাদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছে। জনস্বাস্থ্যের সাথে আপোশ করার কোনো সুযোগ নেই।
আরও পড়ুন
- • আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ
- • মেসি ম্যাজিকে অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে নক আউটে আর্জেন্টিনা
- • লেবাননে হিজবুল্লাহর গোপন ড্রোন কারখানার দাবি ইসরায়েলের
- • ম্যাচ উপভোগ করতে ঢাবিতে আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত
- • ক্লোসাকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসি
- • চার দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
- • আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটার মুশফিক
- • মেসির পেনাল্টি মিসে হতবাক ডালাস
- • প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- • চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে সর্বোচ্চ রেকর্ড
- • ডেভিডের হ্যাটট্রিকে কাতারকে উড়িয়ে দিল কানাডা
- • প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে মৌলভীবাজারের ৯২ চা বাগান
- • দুবাইয়ে গ্রেফতার বেনজীর, সামনে দীর্ঘ প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া
- • বেনজীরকে দেশে ফেরাতে সক্রিয় দুদক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যাচ্ছে নথি
- • সংসদে ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’র ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
- • কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ
- • বগুড়ার সেই দুই ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশে প্রধানমন্ত্রীর
- • আরেকটি অঘটনের খুব কাছে গিয়েও জয় পেল না সৌদি আরব
