কপাল পুড়ল এক ডজন সচিবের, আতঙ্কে বিতর্কিত কর্মকর্তারা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১৯:০৪
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল ও শুদ্ধি অভিযান শুরু হয়েছে। বিগত সরকারের আমলে চুক্তিতে থাকা বিতর্কিত কর্মকর্তাদের সরিয়ে মেধাবী, সৎ ও অভিজ্ঞদের মাধ্যমে প্রশাসন সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে শীর্ষ মহল।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) একদিনেই ১২ জন সচিবের ওএসডি ও চুক্তিতে নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে তিন সচিবকে ওএসডি করা হয়েছে। তারা হলেন—প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. সাইফুল্লাহ পান্না, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন এবং ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামাল উদ্দিন। বিশেষ করে রেহানা পারভীনের বিরুদ্ধে ৫ শতাধিক শিক্ষক-কর্মকর্তাকে নিয়মবহির্ভূত বদলির গুরুতর অভিযোগ ছিল।
একই রাতে আরও নয়জন সিনিয়র সচিব ও সচিবের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন—পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. মো. মোখলেস উর রহমান (যার বিরুদ্ধে আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ ছিল), ড. কাইয়ুম আরা বেগম, এম এ আকমল হোসেন আজাদ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মমতাজ আহমেদ, ভূমি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউসূফ, জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক সিদ্দিক জোবায়ের, আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান এবং বিশ্বব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক শরিফা খান।
সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এবং মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার সাক্ষাৎ করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনে গতিশীলতা আনতে মেধা ও সততাকে প্রাধান্য দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বিশেষ করে বিগত সময়ে রাজনৈতিক কারণে বঞ্চিত কর্মকর্তাদের মূল্যায়ন এবং প্রশাসনে সুশাসন প্রতিষ্ঠার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অনেক অবসরে যাওয়া কর্মকর্তাকে চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়ায় বিসিএস ১৩, ১৫ ও ১৭ ব্যাচের কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছিল। এখন নিয়মিত কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে পদোন্নতির মাধ্যমে শূন্যপদ পূরণের দাবি জোরালো হচ্ছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নীতিনির্ধারণী পদগুলোতে আরও রদবদল আসতে পারে। বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদেও বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। সরকারের এমন হার্ডলাইন অবস্থানে বর্তমানে সচিবালয় জুড়ে কর্মকর্তাদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক ও সতর্কাবস্থা বিরাজ করছে।
আরও পড়ুন
- • ১২ আগস্ট দেখা যাবে বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ
- • শাহজালাল বিমানবন্দরে ৯২ লাখ টাকার স্বর্ণ উদ্ধার, আটক ২
- • শাকিব খানের স্পর্শে খারাপ লাগেনি, জানালেন সাবিলা নূর
- • রাজধানীর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে বসছে ১ হাজার নতুন ক্যামেরা
- • প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- • ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক
- • ১৫৭ বছরের পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার
- • স্নিগ্ধা পুর্বপরিকল্পিত ব্ল্যাকমেইল করেছে, দাবি আশিয়ান গ্রুপের
- • প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা
- • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ
- • ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলার
- • ফিফা সভাপতি ইনফ্যান্তিনোর পদত্যাগ চান স্পেনের লা লিগা সভাপতি
- • ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোকে জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে দেখতে চান ট্রাম্প
- • ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের
- • পদত্যাগের পরই রাষ্ট্রপতিকে গ্রেফতার দাবি জানান নাহিদ
- • ইরানে ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর সফর, শান্তি ও বাণিজ্যে জোর
- • শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপের বিষয়কে গুজব বলে উড়িয়ে দিলেন রাষ্ট্রপতি
- • নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনে
