২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ১৫:৫৩

শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের প্রশংসায় জাতীয় সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলারের জরুরি সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক হরমুজ পাড়ি দিয়ে দেশের পথে ১১৫ দিন আটকে থাকা ক্রুড তেলবাহী জাহাজ জাতীয় পরিচয়পত্র নবায়নে নতুন উদ্যোগ, পর্যালোচনায় নির্বাচন কমিশন বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ মৎস্যচাষী দেশের তালিকায় বাংলাদেশ বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে স্বর্ণের দাম কমল কূটনৈতিক সফর শেষে দেশে ফিরলেন তারেক রহমান সফর শেষে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের প্রশংসায় জাতীয় সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলারের জরুরি সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক হরমুজ পাড়ি দিয়ে দেশের পথে ১১৫ দিন আটকে থাকা ক্রুড তেলবাহী জাহাজ জাতীয় পরিচয়পত্র নবায়নে নতুন উদ্যোগ, পর্যালোচনায় নির্বাচন কমিশন বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ মৎস্যচাষী দেশের তালিকায় বাংলাদেশ বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে স্বর্ণের দাম কমল কূটনৈতিক সফর শেষে দেশে ফিরলেন তারেক রহমান সফর শেষে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের প্রশংসায় জাতীয় সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের প্রশংসায় জাতীয় সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৭ জুন, ২০২৬, ১৪:২২

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত মালয়েশিয়া ও চীন সফরের ‘অভূতপূর্ব সাফল্যের’ স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে একটি ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) সংসদের সকালের অধিবেশনের শুরুতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম প্রস্তাবটি ভোটে দিলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর স্পিকার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। এ সফরের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও সুদৃঢ় হবে।

তিনি বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে এই সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি দেশের নিরাপত্তা প্রশ্নেও বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে এ সফর।

ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে গঠিত গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মালয়েশিয়া ও চীনের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও স্বার্থের ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচিত হয়েছে।

তিনি জানান, সফরকালে চীনের সঙ্গে ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এছাড়া দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানসহ বিভিন্ন বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির ভিত্তি তৈরি হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরে যাওয়া ও ফিরে আসার সময় জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনার প্রচলিত সংস্কৃতি পরিহার করে রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এ সফর বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির মৌলিক নীতিমালা—পারস্পরিক সম্মান, পারস্পরিক স্বার্থ, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের বাস্তব প্রতিফলন। তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে শ্রমবাজার, জ্বালানি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এবং চীনের সঙ্গে অবকাঠামো উন্নয়ন ও বাণিজ্য ভারসাম্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে।

বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ধন্যবাদ প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নে বিরোধী দল সরকারের প্রতি পূর্ণ সহযোগিতা করবে। তিনি বলেন, মালয়েশিয়া ও চীন বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলো সংসদে উপস্থাপন করা হলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালনা করতে হবে এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে জাতীয় সংসদকে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

আরও পড়ুন