২৯ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ০০:১০

শিরোনাম
১২ আগস্ট দেখা যাবে বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ শাহজালাল বিমানবন্দরে ৯২ লাখ টাকার স্বর্ণ উদ্ধার, আটক ২ প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক ১৫৭ বছরের পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রথম পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন
শিরোনাম
১২ আগস্ট দেখা যাবে বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ শাহজালাল বিমানবন্দরে ৯২ লাখ টাকার স্বর্ণ উদ্ধার, আটক ২ প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক ১৫৭ বছরের পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রথম পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন

রোহিঙ্গাদের প্রান্তিকীকরণ আর চলবে না: জাতিসংঘে ড. ইউনূস

রোহিঙ্গাদের প্রান্তিকীকরণ আর চলবে না: জাতিসংঘে ড. ইউনূস

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১৯:১৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, রোহিঙ্গাদের প্রান্তিকীকরণের প্রক্রিয়া আর চলতে দেওয়া যাবে না। বৈষম্যমূলক নীতি ও কর্মকাণ্ডের অবসান ঘটিয়ে সমাধানমূলক পদক্ষেপ এখনই গ্রহণ করা জরুরি।

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, “মিয়ানমারে চলমান সংঘাত শুধু আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকেই হুমকির মুখে ফেলছে না, বরং রোহিঙ্গাদের স্বদেশে প্রত্যাবাসনকেও আরও কঠিন করে তুলেছে।”

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে রাখাইনের রাজনৈতিক সংকটের অবসান প্রয়োজন। এর জন্য সংশ্লিষ্ট সব জাতিসত্তার অংশগ্রহণে এমন একটি বন্দোবস্ত করতে হবে, যেখানে রোহিঙ্গারা নাগরিক অধিকার ও সমঅধিকার নিয়ে সমাজে ফিরতে পারে।

ড. ইউনূস উল্লেখ করেন, সংকটের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী রোহিঙ্গারা, এবং পরবর্তী ভুক্তভোগী বাংলাদেশ। তবে এটি কোনো দ্বিপাক্ষিক ইস্যু নয়; বরং এটি একটি আন্তর্জাতিক মানবিক সংকট।

তিনি বলেন, “তহবিল সংকটের কারণে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ন্যূনতম জীবনমান বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি সতর্ক করেছে, নতুন অর্থ না এলে রেশন অর্ধেকে নেমে যাবে, যা খাদ্য সংকট ও নিরাপত্তা হুমকি ডেকে আনতে পারে।”

এ প্রেক্ষিতে তিনি বিদ্যমান ও নতুন দাতাদের জরুরি সহায়তার আহ্বান জানান এবং বলেন, "রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে রাজনৈতিক চাপ ও মানবিক সহায়তা—দুই দিকেই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এখনই সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন।"

ড. ইউনূস আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের উচ্চপর্যায়ের সম্মেলন একটি শক্তিশালী আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার ও সময়সীমাবদ্ধ রোডম্যাপ নির্ধারণে সহায়ক হবে, যা রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে সহায়তা করবে।

আরও পড়ুন