২০ জুন ২০২৬, শনিবার, ১৮:৩৬

শিরোনাম
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ১৭টি চুক্তির সম্ভাবনা, আলোচনায় থাকবে তিস্তা প্রকল্প: পররাষ্ট্র সচিব আজ আন্তর্জাতিক শরণার্থী দিবস দেশে খাদ্যশস্যের মজুত ২০ লাখ ৬০ হাজার টন ছাড়ালো বাংলাদেশের নারী উন্নয়নে অগ্রগতির প্রশংসা ইউএন উইমেনের শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ জাতি গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন তারেক রহমান, গুরুত্ব পাচ্ছে শ্রমবাজার ও বিনিয়োগ কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ
শিরোনাম
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ১৭টি চুক্তির সম্ভাবনা, আলোচনায় থাকবে তিস্তা প্রকল্প: পররাষ্ট্র সচিব আজ আন্তর্জাতিক শরণার্থী দিবস দেশে খাদ্যশস্যের মজুত ২০ লাখ ৬০ হাজার টন ছাড়ালো বাংলাদেশের নারী উন্নয়নে অগ্রগতির প্রশংসা ইউএন উইমেনের শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ জাতি গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন তারেক রহমান, গুরুত্ব পাচ্ছে শ্রমবাজার ও বিনিয়োগ কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ

সালথায় মাদক সেবনের দায়ে তিন যুবকের কারাদণ্ড

সালথায় মাদক সেবনের দায়ে তিন যুবকের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১৮:১৫

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় মাদক সেবনের দায়ে তিন যুবককে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। 

সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে এ রায় প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক দবির উদ্দিন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের কানাইড় গ্রামের হালিম শেখের ছেলে রাজীব শেখ, কসবা গট্টি গ্রামের বিল্লাল শেখের ছেলে জিলাল শেখ এবং পার্শ্ববর্তী নগরকান্দা উপজেলার ধুতরাহাটি গ্রামের তৈয়বুর শেখের ছেলে তুহিন শেখ।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, সোমবার সকালে গট্টি এলাকার একটি কলা বাগানের ভেতরে বসে ওই তিন যুবক মাদক সেবন করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইউএনওর নেতৃত্বে একটি দল সেখানে অভিযান চালায় এবং তাদের আটক করে।

পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে রাজীব শেখ ও জিলাল শেখকে এক মাস করে এবং তুহিন শেখকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযানে সালথা থানা পুলিশের একটি দলও উপস্থিত ছিল।

এ বিষয়ে ইউএনও দবির উদ্দিন বলেন, ‘মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অবস্থান কঠোর। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

আরও পড়ুন