২০ জুন ২০২৬, শনিবার, ১৯:০৪

শিরোনাম
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ১৭টি চুক্তির সম্ভাবনা, আলোচনায় থাকবে তিস্তা প্রকল্প: পররাষ্ট্র সচিব আজ আন্তর্জাতিক শরণার্থী দিবস দেশে খাদ্যশস্যের মজুত ২০ লাখ ৬০ হাজার টন ছাড়ালো বাংলাদেশের নারী উন্নয়নে অগ্রগতির প্রশংসা ইউএন উইমেনের শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ জাতি গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন তারেক রহমান, গুরুত্ব পাচ্ছে শ্রমবাজার ও বিনিয়োগ কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ
শিরোনাম
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ১৭টি চুক্তির সম্ভাবনা, আলোচনায় থাকবে তিস্তা প্রকল্প: পররাষ্ট্র সচিব আজ আন্তর্জাতিক শরণার্থী দিবস দেশে খাদ্যশস্যের মজুত ২০ লাখ ৬০ হাজার টন ছাড়ালো বাংলাদেশের নারী উন্নয়নে অগ্রগতির প্রশংসা ইউএন উইমেনের শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ জাতি গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন তারেক রহমান, গুরুত্ব পাচ্ছে শ্রমবাজার ও বিনিয়োগ কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ

দেশে টিকার কোনো ঘাটতি নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে টিকার কোনো ঘাটতি নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১৯:৩২

দেশে টিকার কোনো ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি। টিকাদান কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী ৬ মাসের টিকা মজুত রাখার মত ব্যবস্থা করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী ছয় মাসের জন্য ভ্যাকসিন সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে এবং ৬০ দিন আগেই পরবর্তী ছয় মাসের চাহিদা নির্ধারণ ও সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের সংকট সৃষ্টি না হয়।

বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে তিনি বলেন, আগামী জুন মাস পর্যন্ত বিসিজি টিকার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং মাঠপর্যায়ে টিকাদান কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জামও রয়েছে। মে মাসে ০.০৫ মিলি বিসিজি সিরিঞ্জের কিছুটা ঘাটতির আশঙ্কা থাকলেও তা নিরসনে ইউনিসেফের সহযোগিতায় ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে আংশিক সরবরাহ পাওয়া যাবে এবং মে মাসের মধ্যে পুরো চাহিদা পূরণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

হাম ও র‌্যাবিস টিকা নিয়েও কোনো সংকট নেই উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বব্যাংকের শর্ত শিথিল করে টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হামের টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং স্থানীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিয়মিত সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে এন্টি-র‌্যাবিস ভ্যাকসিনের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, কিছু স্থানে টিকা সংকট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং প্রকৃত অবস্থা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্টক আপডেট পেতে মন্ত্রণালয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছর দিস মিনিস্ট্রি ওয়াজ ইন মেস। এখানে কোন ফান্ড সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়নি, জনস্বার্থে কোন সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। গতানুগতিক কাজ করে যাওয়া হচ্ছে। সেটাকে আমাদের মোকাবিলা করে সাপোর্টিভ একটা স্টেজে নিয়ে আসা বা মানুষদেরকে স্বাস্থ্যসেবাটা পূর্ণ মাত্রায় দেওয়া খুব কঠিন কাজ ছিল। তবুও আপনাদের সহযোগিতায়, ইউনিসেফ, গ্লোবাল হেলথ, ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন, গ্যাভি— সবার সহযোগিতায় এবং ত্বরিৎ গতিতে করোনাকালীন অব্যবহৃত ফান্ডকে ব্যবহার করে আমরা সমস্ত ভ্যাকসিন যথাশীঘ্র সময়ে সরবরাহ নেওয়ার জন্য চেষ্টা করেছি এবং আমরা পেয়েছি। আরো আমাদের সরবরাহ লাইনে আছে, যথাসময় আমরা পেয়ে যাব।

পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের চুক্তি ভিত্তিতে কাজ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের মাঠ লেভেলের যে কর্মী আছে, তারা ট্রেন্ডার, আমাদের স্টাফ না, তারা জুন পর্যন্ত আমাদের সাথে আছে। পরবর্তীতে আমরা তাদেরকে রাখার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি, নতুন নিয়ে আবার ট্রেনিং দেওয়ার একটা টাইম লাগবে। যাতে আমাদের এই ভ্যাকসিন কার্যক্রমে কোনরকম বাধার সৃষ্টি না হয়। কোনরকম শিথিলতা না দেখা দেয়। সে কারণে ওদেরকে আমরা কন্টিনিউ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসসহ মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও ইপিআই কর্মসূচির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন