২২ জুন ২০২৬, সোমবার, ১৯:৩৫

শিরোনাম
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার সম্ভাবনা কম ঢাকায় রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের ব্যাখ্যা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা প্রধানমন্ত্রীর হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে সার্চ কমিটি গঠন বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যবসা শুরুর বাধা দূর করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত
শিরোনাম
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার সম্ভাবনা কম ঢাকায় রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের ব্যাখ্যা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা প্রধানমন্ত্রীর হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে সার্চ কমিটি গঠন বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যবসা শুরুর বাধা দূর করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

শুরু হলো জয়-পলকের বিচার , ২৫ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণ

শুরু হলো জয়-পলকের বিচার , ২৫ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৩:৫৫

চব্বিশের গণ-আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ আহমেদ পলকের বিচার শুরু হয়েছে।

এ মামলায় বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-১-এ সূচনা বক্তব্য দেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

সূচনা বক্তব্যে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার ওপর যে ব্যাপক হারে হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল, এর মাস্টারমাইন্ডদের মধ্যে অন্যতম হলেন সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলক। কারণ তারা দুজনই আইসিটির দায়িত্বে ছিলেন। আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়ে হত্যাকাণ্ড সংঘঠনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন তারা।

জয় এবং পলকের বিরুদ্ধে জুলাই গণ-আন্দোলন চলার সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে আন্দোলনকারীদের হত্যার তথ্য আড়াল, হত্যাযজ্ঞে উসকানি, ষড়যন্ত্রসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত ৪ ডিসেম্বর এ মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হলে তা আমলে নিয়ে ওইদিনই জয় ও পলকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। আসামি জুনাইদ আহমেদ পলক আগে থেকেই গ্রেপ্তার আছেন।

জয়কে গ্রেপ্তার করতে না পারায় গত ১০ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল তাঁকে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন। পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরও হাজির না হওয়ায় জয়কে পলাতক দেখিয়ে গত ১৭ ডিসম্বর তাঁর পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে শুরু হয় অভিযোগ গঠনের শুনানি।

অভিযোগ গঠন করে জয়-পলককে বিচারের মুখোমুখি করার আরজি জানিয়ে গত ১১ জানুয়ারি শুনানি শেষ করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

এরপর গত ১৫ জানুয়ারি মামলা থেকে দুই আসামির অব্যাহতির আবেদনে শুনানি হয়। পরে গত ২১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। সেই ধারাবাহিকতায় আজ সূচনা বক্তব্য দেন চিফ প্রসিকিউটর। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে।

আরও পড়ুন