২৮ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৩:০৮

শিরোনাম
প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক ১৫৭ বছরের পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রথম পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন আগামীকাল থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট মাদকবিরোধী লড়াইকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: মির্জা ফখরুল
শিরোনাম
প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক ১৫৭ বছরের পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রথম পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন আগামীকাল থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট মাদকবিরোধী লড়াইকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: মির্জা ফখরুল

বিদায় নিতে আপনাদের সামনে এসেছি: প্রধান উপদেষ্টা

বিদায় নিতে আপনাদের সামনে এসেছি: প্রধান উপদেষ্টা

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২২:২৬

দীর্ঘ ১৮ মাস অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব পালনের পর আজ বিদায়ের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ১৫ মিনিটে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। তার এই ভাষণটি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

ভাষণের শুরুতেই প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বিগত ১৮ মাস আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন শেষে, একটি নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রাক্কালে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে আজ আমি আপনাদের কাছ থেকে বিদায় নেবার জন্য উপস্থিত হয়েছি। আমি আজ আমার কাজ হতে বিদায় নিতে আপনাদের সামনে এসেছি।’

ড. ইউনূস বলেন, ১৭ বছর পর একটি উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য দেশবাসীকে শুভেচ্ছা। এই নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার নতুন অভিযাত্রার সূচনা এবং এটি ‘নতুন বাংলাদেশের জন্ম’ বলে তিনি উল্লেখ করেন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নির্বাচন কেমন হওয়া উচিত—এই নির্বাচন তার একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ হয়ে থাকবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

গত ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সে কী মহা মুক্তির দিন ছিল! সে কী আনন্দের দিন! দৈত্যের গ্রাস থেকে তরুণ ছাত্রছাত্রীরা দেশকে বের করে এনেছে। দেশ মুক্ত হলেও সেদিন সম্পূর্ণ অচল ছিল। অচল এই দেশটিকে সচল করাই ছিল সবচাইতে কঠিন কাজ।’

তিনি আরও বলেন, ‘যারা দেশকে লুটেপুটে খেত তারাই দেশের এই রাষ্ট্রযন্ত্র চালাতো। অভ্যুত্থানের সঙ্গে সঙ্গে বড় কর্তা থেকে শুরু করে মাঝারি কর্তারাও পালিয়েছিল। ১৮ মাস আগে অচল দেশের দায়িত্ব নিতে আমি রাজী ছিলাম না, কিন্তু ছাত্রনেতারা জাতির প্রতি কর্তব্য পালনের কথা বলে আমাকে রাজি করালো। এখন দায়িত্ব শেষে আমার যাওয়ার পালা।’

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও সাংবিধানিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে জুলাই সনদের ওপর গণভোটের কথা উল্লেখ করে মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘দেড় যুগ পর দেশে একটি জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন হলো। এই নির্বাচনে যে উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল, তা আমাদের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’ পরিশেষে তিনি একটি নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের শুভকামনা জানিয়ে তার বক্তব্য শেষ করেন।

আরও পড়ুন