০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৩:০৪

শিরোনাম
ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি
শিরোনাম
ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি

সবচেয়ে খারাপ রিক্রুট ছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস : খালেদ মুহিউদ্দীন

সবচেয়ে খারাপ রিক্রুট ছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস : খালেদ মুহিউদ্দীন

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০০:১৮

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কাল নিয়ে সমালোচনা করে নিউইয়র্কভিত্তিক বাংলা দৈনিক ‘ঠিকানার প্রধান সম্পাদক  খালেদ মুহিউদ্দীন বলেছেন, ‘সবচেয়ে খারাপ রিক্রুটতো ছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।’

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) একটি টকশো অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। খালেদ মুহিউদ্দীনের এ বক্তব্য ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। 

আলোচনায় খালেদ মুহিউদ্দীন বলেন, সরকারের নীতিনির্ধারণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ধারাবাহিকতার অভাব ছিল। তাঁর ভাষায়, ‘মাথা যদি ঠিক না থাকে, তাহলে নিচের দিকে সব জায়গায় সমস্যা হয়। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাজের মধ্যে আমি প্রচণ্ড ইনকনসিস্টেন্সি দেখছি। একটা কাজের মধ্যে ধারাবাহিকতা পাইনি।’

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত সরকারের কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কিছু হইলেই বলা হইছে আমলারা কথা শোনেনি। কিন্তু প্রশাসনকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সরকারেরই দায়িত্ব।’

তিনি আরো অভিযোগ করেন, কয়েকটি সিদ্ধান্তে ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’-এর প্রশ্ন উঠেছে। তাঁর দাবি, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা থাকা উচিত ছিল। এসময় বিদেশ সফর প্রসঙ্গেও সমালোচনা করেন খালেদ মুহিউদ্দীন।

তিনি বলেন, ‘একজন সরকার প্রধানের বিদেশে গিয়ে একটি রাজনৈতিক দলের প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করা কতটা যৌক্তিক—সেই প্রশ্ন আছে।’

আরও পড়ুন