মাটির কারুকার্য: ঐতিহ্য, শিল্প ও আধুনিক থেরাপি
লাবনী আক্তার শিমলা
প্রকাশিত: ১৬ মার্চ, ২০২৬, ০০:২৭
বাংলা ও মাটির সম্পর্কের যে সুর, যে বন্ধন তা চিরায়ত ও চিরঞ্জীব। এই সম্পর্কের বাস্তবিক রূপ গড়ে ওঠে মৃৎশিল্পের কারুকার্যে। বাংলার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সৃজনশীলতার অবিনশ্বর প্রতীক এই মৃৎশিল্প। সাধারণ হাঁড়ি, কলসি, হতে শুরু করে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, পোড়ামাটির মূর্তি ও অলংকার মৃৎশিল্পের দান। কিন্তু আধুনিক যুগের গতিময়তায় এই ঐতিহ্যবাহী শিল্পের পাশাপাশি একটি নতুন ধারণা ধীরে ধীরে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তৈরি করছে—এটি হলো ক্লে থেরাপি। শিল্পচর্চা ও মানসিক সুস্থতার এই মেলবন্ধন শুধু ব্যক্তিগত প্রশান্তিই দেয় না, বরং নতুন ধরনের সৃজনশীল উপায়ে অর্থোপার্জনের দিক উন্মোচন করছে।
মৃৎশিল্প মূলত এমন এক শিল্প যেখানে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় কর্দম ও মাটি। মানবসভ্যতার ইতিহাসে এটি অন্যতম প্রাচীন শিল্পধারা। প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণায় দেখা যায়, প্রাচীন সভ্যতার মানুষ খাদ্য সংরক্ষণ, রান্না কিংবা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের জন্য মাটির তৈরি পাত্র ব্যবহার করতেন। বাংলার মাটিতেও এই শিল্পের ইতিহাস সমৃদ্ধ। কুমিল্লা, যশোর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া ও নওগাঁ অঞ্চলে মৃৎশিল্পের এক গৌরবময় ঐতিহ্য রয়েছে। এই শিল্প শুধু দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজন মেটায়নি, বরং গ্রামীণ অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় প্রায় ১,০০০ কুমার পরিবার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই পেশার সাথে জড়িত, তৈরি করে চলেছে নানা ধরনের গৃহস্থালি ও সজ্জাসামগ্রী। তবে শিল্পায়ন ও প্লাস্টিকজাত পণ্যের প্রসারের কারণে এক সময় মৃৎশিল্পের চাহিদা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায়। অনেক কুমার পরিবার পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পণ্যের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ার পাশাপাশি হাতে তৈরি শিল্পের প্রতি এক নতুন আকর্ষণ তৈরি হয়েছে। এই প্রবণতা মৃৎশিল্পকে আবারও নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।
প্রাচ্যের দর্শন আর পাশ্চাত্যের মনোবিজ্ঞানের মেলবন্ধনে জন্ম নিয়েছে ক্লে থেরাপি। মনোবিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরেই সৃজনশীল কর্মকাণ্ডকে মানসিক সুস্থতার জন্য অপরিহার্য বলে মনে করেন। এই ধারণা থেকেই ক্লে থেরাপির বিকাশ। ক্লে থেরাপি মূলত আর্ট থেরাপির একটি শাখা, যেখানে মাটি দিয়ে কাজ করার মাধ্যমে মানুষ নিজের অজান্তেই তার আবেগ, চাপ ও উদ্বেগকে মাটির মধ্যে প্রকাশ করার সুযোগ পায়।
গবেষণায় দেখা গেছে, হাতে মাটি নিয়ে কাজ করার সময় মানুষের মনোযোগ বর্তমান মুহূর্তে কেন্দ্রীভূত হয়, যা মননশীলতা ও মাইন্ডফুলনেসের মতো মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। এটি ধ্যান বা মেডিটেশনের মতোই এক ধরনের প্রশান্তি সৃষ্টি করতে পারে। নিউরোসায়েন্সের ভাষায়, সৃজনশীল কাজ করার সময় মস্তিষ্কে ডোপামিন ও সেরোটোনিনের মতো 'ফিল-গুড' রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত হয়, যা সুখানুভূতি বাড়ায়। এই সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে মানুষ নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে, যা অনেক সময় কথায় প্রকাশ করা কঠিন। বিশেষ করে শিশু, কিশোর বা মানসিক আঘাতপ্রাপ্ত (ট্রমা) মানুষদের জন্য এটি এক অত্যন্ত ফলপ্রসু পদ্ধতি।
বিশ্বের অনেক দেশে ইতিমধ্যেই ক্লে থেরাপি একটি জনপ্রিয় কার্যক্রমে পরিণত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জাপান বা দক্ষিণ কোরিয়ায় বিভিন্ন আর্ট স্টুডিওতে মানুষ শখের বশে কিংবা থেরাপির উদ্দেশ্যে মৃৎশিল্পের ক্লাসে অংশ নেয়। শুধু তাই নয়, এটি এখন একটি লাভজনক ব্যবসায়িক মডেলও বটে।
বিভিন্ন বাজার গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী থেরাপিউটিক ক্লে-এর বাজার ২০২৪ সালে সারা পৃথিবীতে ক্লে থেরাপির বাজার ছিল ১১২৫ কোটি ডলারের মতো। আর মাত্র ছয় বছরের মাথায়, ২০৩০ সালে সেটা দাঁড়াবে প্রায় ১৯০০ কোটি ডলারে। বৃদ্ধির হারটা হিসেব করলে দাঁড়ায় ১০.২%—অর্থাৎ প্রতি বছরই বাজারটা প্রায় এক-দশমাংশ হারে বাড়ছে। এই প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হলো প্রাকৃতিক ও অর্গানিক পণ্যের প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ এবং ওয়েলনেস ট্যুরিজম বা স্বাস্থ্য-সচেতন পর্যটনের প্রসার। স্পা ও ওয়েলনেস সেন্টারগুলোতে কাদা স্নান (মাড বাথ) ও বডি র্যাপের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। বাজারের এই বিস্তৃতির সুযোগ নিতে বিশ্বের নামীদামী কোম্পানিগুলো নতুন নতুন ক্লে-ভিত্তিক প্রসাধনী ও থেরাপি পণ্য বাজারে ছাড়ছে। উত্তর আমেরিকা এখনও এই বাজারে শীর্ষস্থানে থাকলেও, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল (এশিয়া প্যাসিফিক) হচ্ছে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল বাজার। বাংলাদেশে ক্লে থেরাপি এখনও খুব বেশি পরিচিত নাম নয়, তবে ধীরে ধীরে এ বিষয়ে আগ্রহ বাড়ছে। রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য বড় শহরে গড়ে ওঠা কিছু আর্ট স্টুডিও ইতিমধ্যে পটারি ক্লাস বা মৃৎশিল্প কর্মশালা পরিচালনা করছে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সৃজনশীল কাজের প্রতি আগ্রহ এবং মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির ফলে এই উদ্যোগগুলো জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। এই শিল্পের প্রসারে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জরিপ অনুযায়ী, সারা দেশে মোট ৭৩,৫৪২টি হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার ৯৭.৬% পরিবার-ভিত্তিক। এই খাতে মোট ১,৪৮,৬৫৬ জন মানুষ নিয়োজিত, যাদের ৫৫.৮% নারী। নারী উদ্যোক্তারা এখানে এগিয়ে রয়েছেন—৫১.২% প্রতিষ্ঠানের মালিক নারী। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মৃৎশিল্প এক সম্ভাবনাময় প্রচেষ্টা। শুধু পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চারটি গ্রামের প্রায় ১,০০০ কুমার মিলে এককভাবে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে প্রায় ১ কোটি টাকার মাটির পণ্য বিক্রি করেছেন, যার কিছু বিদেশেও রপ্তানি হয়েছে। বগুড়ার শেরপুরে প্রায় ৮,০০০-১০,০০০ নারী বেত-বাঁশ ও পাম পাতার পণ্য তৈরি করে ইউরোপ-আমেরিকায় রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছেন।
বাংলাদেশের হস্তশিল্প খাত রপ্তানি বাজারে ধীরে ধীরে তার অবস্থান শক্তিশালী করছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (EPB)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২১–২২ অর্থবছরে বাংলাদেশের হস্তশিল্প খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছিল প্রায় ৪২.৮৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যদিও ২০২৩ সালে সাধারণ মৃৎপণ্য বা কমন পটারি রপ্তানিতে কিছুটা নিম্নগতি লক্ষ্য করা যায়, তবুও পরিবেশবান্ধব ও ঐতিহ্যনির্ভর পণ্যের প্রতি বৈশ্বিক আগ্রহ বৃদ্ধির কারণে সামগ্রিক হস্তশিল্প খাতকে এখনও সম্ভাবনাময় শিল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশ এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ বাড়লে আগামী কয়েক বছরে এই খাত দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে। বিভিন্ন বাজার গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের হস্তশিল্প বাজারের আকার ২০২২ সালে প্রায় ৭৫২.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৮ সালের মধ্যে এই বাজার ১,২৯৬.৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে, যা ২০২৩–২০২৮ সময়কালে প্রায় ৯–১০% বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হার নির্দেশ করে। অন্যদিকে, আরেকটি বাজার গবেষণায় দেখা গেছে যে ২০২২ সালে বৈশ্বিক হস্তশিল্প বাজারের আকার ছিল প্রায় ১,০০৫ বিলিয়ন ডলার, যা ২০৩০ সালের মধ্যে ২,৩১৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে, অর্থাৎ এই খাতের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি প্রায় ১১%। ফলে বোঝা যায়, বিশ্বজুড়ে হস্তশিল্পের বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং এটি একটি ক্রমবর্ধমান সৃজনশীল অর্থনৈতিক খাত।
বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের প্রধান গন্তব্য স্পেন, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি ও যুক্তরাষ্ট্র। আমেরিকা, পোল্যান্ড ও জার্মানিতে মৃৎপণ্যের ভালো চাহিদা রয়েছে। চীন ও ভিয়েতনামে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বব্যাপী ক্রেতারা এখন বাংলাদেশের মতো বিকল্প উৎসের দিকে ঝুঁকছেন, যা আমাদের জন্য এক বিশাল সুযোগ। মৃৎশিল্প ও ক্লে থেরাপিভিত্তিক ব্যবসা তুলনামূলকভাবে কম বিনিয়োগে শুরু করা সম্ভব। একটি ছোট স্টুডিও, কিছু মাটি, পটারি হুইল, কিলন (মাটির পাত্র পোড়ানোর চুল্লি) এবং মৌলিক সরঞ্জাম দিয়েই কার্যক্রম শুরু করা যায়। উদ্যোক্তারা বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করতে পারেন। যেমন, সৃজনশীল কর্মশালার মাধ্যমে শিশু-কিশোর ও বড়দের জন্য মৃৎশিল্প শেখানোর ক্লাস নেওয়া, এরপর ক্লে থেরাপি সেশন অর্থাৎ মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক গ্রুপ বা একান্ত সেশন চালু করা যায়। এছাড়া তারা হাতে তৈরি পণ্যের বিপণন করতে পারেন অনলাইন ও অফলাইনে নিজস্ব পণ্য বিক্রয়ের মাধ্যমে। আরেকটি দুর্দান্ত উদ্যোগ তারা নিতে পারেন—আর্ট ক্যাফে ধারণা তৈরি করা, যেখানে চা-কফি খেতে খেতে মাটির কাজ করা যায়। পাশাপাশি, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সহজেই এই ধরনের উদ্যোগের প্রচার ও বিপণন করা সম্ভব। ইন্সটাগ্রাম ও ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্ম হস্তশিল্পীদের তাদের পণ্যের ছবি ও ভিডিও শেয়ার করে সরাসরি গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ করে দিচ্ছে। এই সম্ভাবনার পাশাপাশি কিছু বড় চ্যালেঞ্জও রয়েছে। এর মধ্যে—
প্রথমত, দক্ষতা ও নকশার ঘাটতি। মৃৎশিল্পীদের অনেকেই এখনও আধুনিক ডিজাইন বা বাজারের চাহিদা সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা রাখেন না। গবেষণা ও উন্নয়ন (আরঅ্যান্ডডি) এবং ডিজাইন সেন্টারের অভাবে নতুনত্ব আসছে না।
দ্বিতীয়ত, অর্থায়নের অভাব। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও কুমারদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ ও মূলধনের ব্যবস্থা নেই বললেই চলে।
তৃতীয়ত, সংগঠিত সরবরাহ ব্যবস্থার অভাব। কাঁচামাল সংগ্রহ থেকে শুরু করে পণ্য বিপণন পর্যন্ত কোনো সুসংহত শৃঙ্খল নেই। উপরন্তু, পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় মুনাফা কমে যাচ্ছে।
চতুর্থত, দেশীয় ব্র্যান্ডিংয়ের দুর্বলতা। এখন পর্যন্ত, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের হস্তশিল্প পণ্যের কোনো শক্তিশালী দেশীয় ব্র্যান্ড ইমেজ গড়ে ওঠেনি।
এখনই সময় এই সুন্দর সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার। এজন্য প্রথমত, প্রশিক্ষণ ও নকশা উন্নয়নে বিনিয়োগ করা জরুরি। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও ডিজাইন ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করতে হবে। এরপর সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করতে হবে। কুমার ও হস্তশিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যাংকঋণ সহজীকরণ ও ভর্তুকি প্রদান করার জন্য উদ্যোগী হতে হবে। পাশাপাশি, পণ্য বিপণনে সহায়তায় আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণ, ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্তি এবং 'হেরিটেজ ব্র্যান্ডিং'-এর মাধ্যমে পণ্যের প্রচার করাও জরুরি। এছাড়াও, মূল ধারার নিয়মেই স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে মাটির কাজ ও আর্ট থেরাপির কর্মশালা চালু করা হলে ধীরে ধীরে মৃৎশিল্পের প্রতি অবহেলা কমে আসবে।
মাটির ঘ্রাণের সান্নিধ্যে হয়তো আমাদের অনেকেরই বেড়ে ওঠা হয় না। অনেকেই বিভিন্ন মাটির নামও ভালো করে জানে না। অথচ এই মাটির মাঝেই আমাদের যে সুশ্রূষা ও শান্তি, তা সবাই জানুক ও পালন করুক চর্চার মাধ্যমে। সবার হাতের স্পর্শে মাটির কারুকার্যে সমৃদ্ধ হোক দেশের শিল্প, অর্থনীতি ও নাগরিকের সুস্থ সুন্দর মন।
লেখক,
লাবনী আক্তার শিমলা
শিক্ষার্থী, গণিত বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
ইমেইল : [email protected]
আরও পড়ুন
- • লক্ষ্মীপুরে মা-মেয়েসহ একই পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা
- • ভেনেজুয়েলা ভূমিকম্পে প্রাণহানি ‘ভয়াবহ’ হতে পারে, সহায়তার ঘোষণা ট্রাম্পের
- • অ্যাপ ডাউনলোডে অসতর্কতা, মুহূর্তেই খোয়া যেতে পারে ব্যাংকের তথ্য
- • হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬৪ হাজারের বেশি হাজি, মৃত্যু ৫৪ জনের
- • ঢাকা-তেহরান সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রস্তাব ইরানের
- • সাপাহার সীমান্তে ৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি
- • বিধ্বংসী ভূমিকম্পে ভেনেজুয়েলার পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার
- • আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দরপতন অব্যাহত
- • চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে সর্বোচ্চ রেকর্ড
- • ডেভিডের হ্যাটট্রিকে কাতারকে উড়িয়ে দিল কানাডা
- • কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ
- • বন্ধ কারখানাগুলোয় বিদেশি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- • মালয়েশিয়ার ২ হাজার বন্দিদের ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
- • বগুড়ার সেই দুই ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশে প্রধানমন্ত্রীর
- • বগুড়ার ৩ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- • মালয়েশিয়ার পথে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী
- • ফের হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিল ইরান
- • যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের বৈঠকে সুইজারল্যান্ডে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান
