নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে এলে গ্রেফতারের আইনি পথ খুঁজছেন মেয়র জোহরান মামদানি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৫
নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি বলেছেন, আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) অধিবেশনে যোগ দিতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে এলে তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব কি না, সে বিষয়ে নগর কর্তৃপক্ষের আইন বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) প্রকাশিত দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মামদানি বলেন, গাজায় সম্ভাব্য মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানার মুখোমুখি হওয়া নেতানিয়াহুকে বিচারের আওতায় আনা উচিত।
তিনি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর স্থান দ্য হেগে।” তার দাবি, গত কয়েক বছরের কর্মকাণ্ডের কারণে অনেকেই একই মত পোষণ করেন।
ফিলিস্তিনিদের অধিকারের পক্ষে সোচ্চার ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্ট নেতা মামদানি মেয়র নির্বাচনি প্রচারণার সময়ও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে এলে তাকে গ্রেফতারের উদ্যোগ নেবেন। তবে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আইনি সক্ষমতা নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক রয়েছে।
সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, নিউইয়র্ক সিটির আইন বিভাগের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সক্রিয় আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, “আইন আমাকে নিউইয়র্ক সিটিতে যা করার অনুমতি দেয়, আমরা সেটাই করব। তবে এ উদ্দেশ্যে নতুন কোনো আইন তৈরি করব না।”
মামদানির বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মার্কিন রেডিও উপস্থাপক সিড রোজেনবার্গকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিযোগ করেন, মামদানি গোপনে আমেরিকাকে ঘৃণা করেন।
অন্যদিকে জাতিসংঘে ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন বলেছেন, গ্রেফতারের হুমকি সত্ত্বেও আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নেতানিয়াহু নিউইয়র্ক সফর করবেন।
প্রচারাভিযানের সময় মামদানি ইসলামবিদ্বেষমূলক মন্তব্য ও ব্যক্তিগত আক্রমণেরও শিকার হন। একপর্যায়ে রেডিও উপস্থাপক সিড রোজেনবার্গ তাকে ‘তেলাপোকা’ বলে মন্তব্য করেন। পরে ওই মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চান তিনি।
এদিকে গত মে মাসে প্রকাশিত এক জনমত জরিপে দেখা যায়, প্রায় ৭৫ শতাংশ ডেমোক্র্যাট ভোটার ইসরাইলকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিরোধিতা করেন। তিন বছর আগে এই হার ছিল ৪৫ শতাংশ। জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় অর্ধেক ভোটার মনে করেন, ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ইসরাইলের প্রতি প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সমর্থন দিচ্ছে।
যদিও এই পরিবর্তন এখনো দলটির শীর্ষ নেতৃত্বের নীতিতে বড় প্রভাব ফেলেনি, তবে সাম্প্রতিক সময়ে অনেক ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করছেন। সম্প্রতি মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাট সদস্যদের প্রায় অর্ধেকই ইসরাইলকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা বন্ধের পক্ষে ভোট দিয়েছেন।
সূত্র: আল জাজিরা
আরও পড়ুন
- • ১২ আগস্ট দেখা যাবে বিরল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ
- • শাহজালাল বিমানবন্দরে ৯২ লাখ টাকার স্বর্ণ উদ্ধার, আটক ২
- • শাকিব খানের স্পর্শে খারাপ লাগেনি, জানালেন সাবিলা নূর
- • রাজধানীর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে বসছে ১ হাজার নতুন ক্যামেরা
- • প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- • ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক
- • ১৫৭ বছরের পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার
- • স্নিগ্ধা পুর্বপরিকল্পিত ব্ল্যাকমেইল করেছে, দাবি আশিয়ান গ্রুপের
- • প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা
- • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ
- • ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলার
- • ফিফা সভাপতি ইনফ্যান্তিনোর পদত্যাগ চান স্পেনের লা লিগা সভাপতি
- • ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোকে জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে দেখতে চান ট্রাম্প
- • ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের
- • পদত্যাগের পরই রাষ্ট্রপতিকে গ্রেফতার দাবি জানান নাহিদ
- • ইরানে ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর সফর, শান্তি ও বাণিজ্যে জোর
- • শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপের বিষয়কে গুজব বলে উড়িয়ে দিলেন রাষ্ট্রপতি
- • নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনে
