২২ জুন ২০২৬, সোমবার, ২১:১৭

শিরোনাম
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তুরস্কের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার সম্ভাবনা কম ঢাকায় রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের ব্যাখ্যা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা প্রধানমন্ত্রীর হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে সার্চ কমিটি গঠন বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যবসা শুরুর বাধা দূর করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
শিরোনাম
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তুরস্কের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার সম্ভাবনা কম ঢাকায় রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের ব্যাখ্যা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা প্রধানমন্ত্রীর হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে সার্চ কমিটি গঠন বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যবসা শুরুর বাধা দূর করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

রাজধানী ৭টার পরও দোকানপাট খোলা, মানছেন না নির্দেশনা

রাজধানী ৭টার পরও দোকানপাট খোলা, মানছেন না নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২১:০২

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করার সরকারি নির্দেশনা থাকলেও, রবিবার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর অনেক এলাকায় তা মানতে অনীহা দেখা গেছে। নির্ধারিত সময়ের পরও অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখায় বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

পল্টন এলাকায় সরেজমিনে দেখা গেছে, একদিকে চায়না মার্কেট ও পলওয়েল মার্কেট বন্ধ থাকলেও বিপরীত দিকের চিত্র ভিন্ন। পান্থপথ এলাকায় বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স বন্ধ থাকলেও এর আশেপাশের ফার্নিচারের দোকানগুলো ঝলমলে আলো জ্বালিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ব্যবসায়ীদের একটি অংশ নির্দেশনা মানলেও অন্য অংশটি তা উপেক্ষা করছে, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

এর আগে দুপুরে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, মালিকদের অনুরোধের প্রেক্ষিতে সময়সীমা সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

তিনি বলেন, “জরুরি সেবা ছাড়া অন্য সব দোকানকে সরকারি নির্দেশনা মেনে সময়মতো বন্ধ করতে হবে। নিজ কর্মস্থল ও বাসায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করা এখন জাতীয় দায়িত্ব।”

আরও পড়ুন