২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৮:১৮

শিরোনাম
বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ WEF প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ডেঙ্গু মোকাবিলায় বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ভিডিওতে কোক স্টুডিও বাংলার ‘মহাজাদু’ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে মন্তব্য তথ্য উপদেষ্টার নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি বাড়াতে যৌথ প্রকল্পের চিন্তা হরমুজ প্রণালি পেরিয়েছে এমভি বাংলার জয়যাত্রা, চার মাস পর স্বস্তিতে ৩১ বাংলাদেশি নাবিক আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ
শিরোনাম
বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ WEF প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ডেঙ্গু মোকাবিলায় বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ভিডিওতে কোক স্টুডিও বাংলার ‘মহাজাদু’ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে মন্তব্য তথ্য উপদেষ্টার নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানি বাড়াতে যৌথ প্রকল্পের চিন্তা হরমুজ প্রণালি পেরিয়েছে এমভি বাংলার জয়যাত্রা, চার মাস পর স্বস্তিতে ৩১ বাংলাদেশি নাবিক আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

ওমরায় যেতে বাধা দেওয়ায় কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট

ওমরায় যেতে বাধা দেওয়ায় কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১৮:২৩

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পবিত্র ওমরায় যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছেন   ফাতেমা বেগম নামে এক নারী। তিনি নারায়ণগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।

বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) ফাতেমা বেগমের পক্ষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান (মামুন)।

রিটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের প্রধান এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ওসিকে (ইমিগ্রেশন) বিবাদী করা হয়েছে।

রিট পিটিশনে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৬ এবং ৪১ অনুচ্ছেদ দ্বারা স্বাধীনভাবে চলাফেরা ও ধর্মচর্চার অধিকার যেকোনো নাগরিকের অবিচ্ছেদ্য মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। ফাতেমা বেগম একজন ধর্মপ্রাণ বয়োজ্যেষ্ঠ নারী। জীবনের শেষ সায়াহ্নে এসে পবিত্র মক্কা ও মদিনার পুণ্যভূমি জিয়ারত এবং আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের একবুক স্বপ্ন নিয়ে ওমরাহ পালনের উদ্দেশে তিনি বিমানবন্দরে হাজির হয়েছিলেন। কিন্তু ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের নিষ্ঠুর ও অবিবেচক আচরণে তার সেই পবিত্র আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষা মুহূর্তেই ধূলিসাৎ হয়ে যায়। বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা থাকা সত্ত্বেও কোনো সুনির্দিষ্ট ও বৈধ কারণ ছাড়াই তাকে বিমানে উঠতে বাধা দেওয়া হয়।

রিটে বলা হয়, জীবনের অন্তিম সময়ে এসে পবিত্র ভূমিতে যাওয়ার সুযোগ কেড়ে নেওয়ায় তিনি যে ভয়াবহ মানসিক ও আধ্যাত্মিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছেন, তা একটি নজিরবিহীন ‘কনস্টিটিউশনাল টর্ট’ বা সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা সৃষ্টি করেছে। এই নজিরবিহীন সাংবিধানিক অন্যায়ের প্রতিকার হিসেবে এবং বাদীর অপূরণীয় মানসিক ক্ষতি, তীব্র যন্ত্রণা ও ভোগান্তির জন্য রিট পিটিশনে বিবাদীদের ওপর এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ন্যায়বিচারের স্বার্থে এবং তাৎক্ষণিক আর্থিক ও মানসিক ক্ষতি লাঘবে জরুরি ভিত্তিতে ১০ লাখ টাকা অন্তর্বর্তীকালীন ক্ষতিপূরণ প্রদানের আরজি জানানো হয়েছে।

রিটটি শিগগির হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চে শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।

আরও পড়ুন