২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ১৭:৫৯

শিরোনাম
নিত্যপণ্যের দামে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ১৭ সমঝোতা স্মারক সই সর্বোচ্চ জাকাত সংগ্রহকারী নির্বাচিত হলেন ডিসি ফরিদা খানম এনসিপিসহ ৭ দলকে ইসির শোকজ আশুরার শিক্ষা শান্তি ও ন্যায়ের পথ দেখায়: প্রধানমন্ত্রী ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রী শুক্রবার ৬ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায় বর্ষার শুরুতেই বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, আক্রান্তদের বেশিরভাগই শিশু
শিরোনাম
নিত্যপণ্যের দামে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ১৭ সমঝোতা স্মারক সই সর্বোচ্চ জাকাত সংগ্রহকারী নির্বাচিত হলেন ডিসি ফরিদা খানম এনসিপিসহ ৭ দলকে ইসির শোকজ আশুরার শিক্ষা শান্তি ও ন্যায়ের পথ দেখায়: প্রধানমন্ত্রী ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রী শুক্রবার ৬ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায় বর্ষার শুরুতেই বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, আক্রান্তদের বেশিরভাগই শিশু

নিত্যপণ্যের দামে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস

নিত্যপণ্যের দামে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬ জুন, ২০২৬, ১৬:৩৪

রাজধানীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে এখনো স্বস্তি নেই। সপ্তাহ পেরিয়েও সবজি, মাছ ও মুরগির দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন না আসায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের ব্যয় বেড়েই চলেছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, মৌসুমি সবজির দাম কমার প্রত্যাশা থাকলেও বেশির ভাগ সবজিই আগের সপ্তাহের দামে বিক্রি হচ্ছে। উত্তরা সমবায় বাজারে ঢেঁড়শ, পটল, ঝিঙ্গা, করলা ও চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ৬০-৮০ টাকা, বরবটি ৭০-৮০ টাকা এবং কাঁচকলার হালি ৩৫-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দাম ৫০-৬০ টাকা, গাজর ১০০-১২০ টাকা, কচুর লতি ৭০ টাকা এবং শিম ১৩০ টাকা কেজি।

বিক্রেতাদের দাবি, পাইকারি বাজারে দাম না কমায় খুচরা পর্যায়েও কম দামে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না।

মুরগির বাজারেও দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ব্রয়লার প্রতি কেজি ১৬০-১৬৫ টাকা, সোনালি ৩০০ টাকা, লেয়ার ৩৪০-৩৫০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬০০-৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে আসা এক ক্রেতা বলেন, আগের মতো সপ্তাহে মাছ বা মাংস কেনা সম্ভব হচ্ছে না। সংসারের বাজেটের সঙ্গে মিলিয়ে কেনাকাটা করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

গরুর মাংস ৭৫০-৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও দামের চাপ অব্যাহত রয়েছে। ইলিশের দাম আকারভেদে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকা কেজি। এছাড়া পাঙ্গাস ২০০ টাকা, বড় রুই ৩০০-৩৫০ টাকা, মাঝারি রুই ২৫০-২৭০ টাকা, কাতলা ২৫০-৩৫০ টাকা, পাবদা ৪০০-৬০০ টাকা, গলদা চিংড়ি ৬৫০-৭৫০ টাকা এবং শিং মাছ ৪৫০-৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বেশি থাকায় সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও খুচরা বাজারে দামের চাপ কমছে না। আর ক্রেতাদের প্রত্যাশা, দ্রুত নিত্যপণ্যের দাম কমে বাজারে স্বস্তি ফিরবে।

আরও পড়ুন