১৮ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৪:৫৬

শিরোনাম
সংসদে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ দাবি, পরে ভুল স্বীকার করলেন এমপি মালয়েশিয়ার যাত্রা শেষে চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’র ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী পুশইন ইস্যুতে সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে: আইনমন্ত্রী চালের বাজার স্থিতিশীল, মজুতেও নেই ঘাটতি: বাণিজ্যমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৭৭ দেশীয় প্রযুক্তিতে কোস্টগার্ডের অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়াতে নতুন প্রকল্প দেশে প্রথমবার ফ্রি ট্রেড জোন গঠনের সিদ্ধান্ত, জানালেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব
শিরোনাম
সংসদে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ দাবি, পরে ভুল স্বীকার করলেন এমপি মালয়েশিয়ার যাত্রা শেষে চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’র ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী পুশইন ইস্যুতে সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে: আইনমন্ত্রী চালের বাজার স্থিতিশীল, মজুতেও নেই ঘাটতি: বাণিজ্যমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৭৭ দেশীয় প্রযুক্তিতে কোস্টগার্ডের অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়াতে নতুন প্রকল্প দেশে প্রথমবার ফ্রি ট্রেড জোন গঠনের সিদ্ধান্ত, জানালেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব

ট্রাম্পের শুল্কনীতি অবৈধ ঘোষণা করলো যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট

ট্রাম্পের শুল্কনীতি অবৈধ ঘোষণা করলো যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২২:৩৮

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কনীতি অবৈধ ঘোষণা করেছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সর্বোচ্চ আদালতের আদেশে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে একতরফাভাবে ব্যাপক শুল্ক আরোপের মাধ্যমে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফেডারেল আইন লঙ্ঘন করেছেন।

৬:৩ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতে দেওয়া রায়ে প্রধান বিচারপতি ব্রেট কাভানো উল্লেখ করেন, এই শুল্ক আরোপ আইনের নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করেছে। তবে ইতোমধ্যে সংগৃহীত ১৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ ফেরত দেওয়া হবে কি না কিংবা কী প্রক্রিয়ায় ফেরত দেওয়া হবে—সে বিষয়ে আদালত কোনো নির্দেশনা দেয়নি।

গত বছরের এপ্রিলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ১৮০টিরও বেশি দেশের আমদানিপণ্যে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। শুল্কের হার ছিল ন্যূনতম ১০ শতাংশ থেকে শুরু করে কম্বোডিয়ার ক্ষেত্রে ৪৯ শতাংশ এবং লাওসের ক্ষেত্রে ৪৮ শতাংশ পর্যন্ত। অস্ট্রেলিয়ার ওপরও প্রায় ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল।

সে সময় অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এই সিদ্ধান্তকে ‘অযৌক্তিক’ ও ‘বন্ধুসুলভ নয়’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।

রায়ের পর অস্ট্রেলিয়ার ব্যবসায়ীরা সম্ভাব্য অর্থ ফেরতের আশা করছেন। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইওয়াই অস্ট্রেলিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুল্ক অবৈধ প্রমাণিত হলে মার্কিন সরকারকে অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ীদের ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি ফেরত দিতে হতে পারে।

আরও পড়ুন