বিষ মেশানো মিল্কশেক খাইয়ে বাবাকে হত্যা পুলিশ কন্যার
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১৮:৪৬
প্রেমের সম্পর্কে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাবাকে বিষ খাইয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ কন্যার বিরুদ্ধে। ভারতের মহারাষ্ট্রের এ ঘটনাটি প্রায় তিন বছর পর প্রেমিকের স্বীকারোক্তিতে সেই হত্যার রহস্য উন্মোচন হয়েছে। এ ঘটনায় কন্যাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রের বরাতে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, নিহত জয়ন্ত বল্লাওয়ার (৪৫) মহারাষ্ট্র পুলিশের একজন কনস্টেবল ছিলেন। ২০২৩ সালের ২৫ এপ্রিল সকালে ডিউটিতে যাওয়ার প্রস্তুতির সময় তার মেয়ে আর্যা বল্লাওয়ার তাকে একটি মিল্কশেক পান করতে দেন। সেটি পান করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান জয়ন্ত। চন্দ্রপুরে জেলাশাসকের কার্যালয়ে পৌঁছানোর আগেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে কার্যালয়ে পৌঁছে হঠাৎ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা প্রতিবেদনে তার মৃত্যু ‘হঠাৎ অসুস্থতা’জনিত বলে উল্লেখ করা হয়। অস্বাভাবিক মৃত্যুর কোনো সন্দেহ না থাকায় সে সময় ময়নাতদন্তও করা হয়নি এবং মামলাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
তবে সম্প্রতি নতুন করে আলোচনায় আসে জয়ন্তের মৃত্যুর ঘটনা। তদন্তকারীরা জানান, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল। তিন বছর পর এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, এদের মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত জয়ন্তের মেয়ে আর্যা—যিনি নিজেও পুলিশে কর্মরত।
পুলিশ জানায়, আর্যার প্রেমিক (বর্তমানে স্বামী) আশিস মহেশ শেডমাকে-সহ তারা পরিকল্পনা করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটান। জয়ন্ত তাদের সম্পর্ক মেনে নেননি এবং বিয়েতে আপত্তি জানিয়েছিলেন। সেই বাধা সরাতেই তাকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ।
তদন্তে আরও জানা গেছে, বিষ সংগ্রহের জন্য আর্যা তার ২২ বছর বয়সী চাচাতো ভাই চৈতন্য গেদামের সহায়তা নেন। অর্থের বিনিময়ে চৈতন্য বিষ জোগাড় করেন এবং আরেকজন সহযোগীর মাধ্যমে তা আর্যার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। ঘটনার দিন সকালে সেই বিষই মিল্কশেকে মিশিয়ে বাবাকে পান করান আর্যা। ঘটনার পরপরই আর্যা ও আশিস বিয়ে করেন। তবে দাম্পত্য জীবনে অশান্তি শুরু হলে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। সম্প্রতি স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদের জেরে থানায় গিয়ে আশিস পুরো ঘটনার কথা স্বীকার করেন এবং জানান, তার স্ত্রীই বাবাকে বিষ প্রয়োগে হত্যা করেছিলেন। এরপরই পুলিশ পুনরায় তদন্ত শুরু করে এবং আর্যা, আশিস, চৈতন্যসহ চারজনকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে তারা পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে হত্যা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা তথ্য প্রদানের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। পুরো ঘটনা বিস্তারিত তদন্ত করা হচ্ছে।
প্রেমের সম্পর্কে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাবাকে বিষ খাইয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ কন্যার বিরুদ্ধে। ভারতের মহারাষ্ট্রের এ ঘটনাটি প্রায় তিন বছর পর প্রেমিকের স্বীকারোক্তিতে সেই হত্যার রহস্য উন্মোচন হয়েছে। এ ঘটনায় কন্যাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রের বরাতে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, নিহত জয়ন্ত বল্লাওয়ার (৪৫) মহারাষ্ট্র পুলিশের একজন কনস্টেবল ছিলেন। ২০২৩ সালের ২৫ এপ্রিল সকালে ডিউটিতে যাওয়ার প্রস্তুতির সময় তার মেয়ে আর্যা বল্লাওয়ার তাকে একটি মিল্কশেক পান করতে দেন। সেটি পান করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান জয়ন্ত। চন্দ্রপুরে জেলাশাসকের কার্যালয়ে পৌঁছানোর আগেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে কার্যালয়ে পৌঁছে হঠাৎ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা প্রতিবেদনে তার মৃত্যু ‘হঠাৎ অসুস্থতা’জনিত বলে উল্লেখ করা হয়। অস্বাভাবিক মৃত্যুর কোনো সন্দেহ না থাকায় সে সময় ময়নাতদন্তও করা হয়নি এবং মামলাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
তবে সম্প্রতি নতুন করে আলোচনায় আসে জয়ন্তের মৃত্যুর ঘটনা। তদন্তকারীরা জানান, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল। তিন বছর পর এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, এদের মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত জয়ন্তের মেয়ে আর্যা—যিনি নিজেও পুলিশে কর্মরত।
পুলিশ জানায়, আর্যার প্রেমিক (বর্তমানে স্বামী) আশিস মহেশ শেডমাকে-সহ তারা পরিকল্পনা করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটান। জয়ন্ত তাদের সম্পর্ক মেনে নেননি এবং বিয়েতে আপত্তি জানিয়েছিলেন। সেই বাধা সরাতেই তাকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ।
তদন্তে আরও জানা গেছে, বিষ সংগ্রহের জন্য আর্যা তার ২২ বছর বয়সী চাচাতো ভাই চৈতন্য গেদামের সহায়তা নেন। অর্থের বিনিময়ে চৈতন্য বিষ জোগাড় করেন এবং আরেকজন সহযোগীর মাধ্যমে তা আর্যার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। ঘটনার দিন সকালে সেই বিষই মিল্কশেকে মিশিয়ে বাবাকে পান করান আর্যা। ঘটনার পরপরই আর্যা ও আশিস বিয়ে করেন। তবে দাম্পত্য জীবনে অশান্তি শুরু হলে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। সম্প্রতি স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদের জেরে থানায় গিয়ে আশিস পুরো ঘটনার কথা স্বীকার করেন এবং জানান, তার স্ত্রীই বাবাকে বিষ প্রয়োগে হত্যা করেছিলেন। এরপরই পুলিশ পুনরায় তদন্ত শুরু করে এবং আর্যা, আশিস, চৈতন্যসহ চারজনকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে তারা পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে হত্যা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা তথ্য প্রদানের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। পুরো ঘটনা বিস্তারিত তদন্ত করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন
- • ‘আলফা’ ট্রেলারে হৃত্বিক রোশনের চমক, ‘ওয়ার’ কানেকশনের ইঙ্গিত!
- • হ্যাটট্রিকের দিনেও বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না মেসির
- • মার্কিন অবরোধ পেরিয়ে আরব সাগরে ইরানের তিন তেলবাহী জাহাজ
- • সংসদে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ দাবি, পরে ভুল স্বীকার করলেন এমপি
- • ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু পর্তুগালের
- • মালয়েশিয়ার যাত্রা শেষে চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
- • স্কুল দখল ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এমপির বিরুদ্ধে
- • হঠাৎ সাবস্ক্রিপশন চালু: ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ চালাতে দিতে হবে টাকা,
- • অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে প্রথমবার ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশের
- • বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার
- • মহারাষ্ট্রে একই পরিবারের চারজনের রহস্যজনক মৃত্যু
- • সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ঢাকার তিন বাস টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- • যানজট নিরসনে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়নে সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- • সৌদিতে চাকরি ও ভিসা প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন
- • বেনজীর আহমেদকে ফেরত নিতে ৩০ দিনের সময় দিল সংযুক্ত আরব আমিরাত
- • ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে ছয়জন নিহত
- • প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- • শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী
