২২ জুন ২০২৬, সোমবার, ০৪:৪৪

শিরোনাম
অতিরিক্ত লাইসেন্সে বিপাকে পেট্রোল পাম্প মালিকরা সরকারি চাকরিতে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি পদ শূন্য, জানালেন প্রতিমন্ত্রী মালয়েশিয়ার ২ হাজার বন্দিদের ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়ায় লালগালিচায় বরণ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মামুনুল প্রসঙ্গের বক্তব্য মুছে দিলেন স্পিকার দেশে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ শনাক্ত ১,০৬৩ জনের মালয়েশিয়ার পথে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরের শেষে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন: বিমানমন্ত্রী
শিরোনাম
অতিরিক্ত লাইসেন্সে বিপাকে পেট্রোল পাম্প মালিকরা সরকারি চাকরিতে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি পদ শূন্য, জানালেন প্রতিমন্ত্রী মালয়েশিয়ার ২ হাজার বন্দিদের ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়ায় লালগালিচায় বরণ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মামুনুল প্রসঙ্গের বক্তব্য মুছে দিলেন স্পিকার দেশে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ শনাক্ত ১,০৬৩ জনের মালয়েশিয়ার পথে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরের শেষে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন: বিমানমন্ত্রী

ইসলামাবাদে আলোচনার মধ্যেই সুখবর পেল ইরান

ইসলামাবাদে আলোচনার মধ্যেই সুখবর পেল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২০:৩০

ইসলামাবাদে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এক জ্যেষ্ঠ ইরানি সূত্রের দাবি, কাতারসহ বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকে জব্দ করে রাখা ইরানের অর্থ ছাড়তে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের এমন সিদ্ধান্তকে ‘সমঝোতায় পৌঁছানোর আন্তরিকতার লক্ষণ’ হিসেবে দেখছে তেহরান। খবর রয়টার্স।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ইরানি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, এই সম্পদ মুক্ত করার বিষয়টি সরাসরি হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার সঙ্গে সম্পর্কিত।

তিনি আরও জানান, ইসলামাবাদে চলমান আলোচনায় হরমুজ প্রণালি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে সামনে এসেছে এবং এই পদক্ষেপ সেই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে কত অর্থ ছাড়তে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, সে বিষয়ে প্রথম সূত্রটি নির্দিষ্ট কিছু জানায়নি। তবে আরেকটি ইরানি সূত্র দাবি করেছে, কাতারে রাখা প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলারের ইরানি তহবিল ছাড়তে রাজি হয়েছে ওয়াশিংটন।

এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। একইভাবে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

উল্লেখিত ৬ বিলিয়ন ডলার ২০১৮ সালে জব্দ করা হয়েছিল। ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের বন্দি বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে অর্থ ছাড়ার কথা ছিল। তবে ওই বছরের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের ওপর হামলার পর হামাসের সঙ্গে ইরানের সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন আবারও এই অর্থ স্থগিত করে।

সে সময় যুক্তরাষ্ট্র জানায়, অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য ইরান এই অর্থ ব্যবহার করতে পারবে না এবং প্রয়োজনে সম্পূর্ণভাবে তা আটকে রাখার অধিকার ওয়াশিংটনের রয়েছে।

এই অর্থের উৎস মূলত দক্ষিণ কোরিয়ায় ইরানের তেল বিক্রির আয়, যা দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যাংকগুলোতে আটকে ছিল। ২০১৮ সালে তার প্রথম মেয়াদে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে এই অর্থ জব্দ হয়ে যায় এবং তেহরানের সঙ্গে বিশ্ব শক্তিগুলোর পারমাণবিক চুক্তিও বাতিল করা হয়।

২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দোহা’র মধ্যস্থতায় হওয়া বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় এই অর্থ কাতারের ব্যাংকে স্থানান্তর করা হয়। ওই চুক্তিতে ইরানে আটক পাঁচ মার্কিন নাগরিক মুক্তির বিনিময়ে অর্থ ছাড় এবং যুক্তরাষ্ট্রে আটক পাঁচ ইরানিকেও মুক্তি দেওয়া হয়।

তখন যুক্তরাষ্ট্র জানায়, এই অর্থ শুধুমাত্র মানবিক খাতে—খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও কৃষিপণ্যের জন্য ব্যবহার করা যাবে এবং তা যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের তত্ত্বাবধানে অনুমোদিত সরবরাহকারীদের মাধ্যমে ব্যয় করতে হবে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইসলামাবাদের আলোচনায় এই অর্থ ছাড়ার বিষয়টি যদি চূড়ান্ত হয়, তবে তা হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা কমাতে এবং বৃহত্তর সমঝোতার পথ খুলে দিতে পারে।

আরও পড়ুন