২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ২০:০০

শিরোনাম
মালয়েশিয়ায় লালগালিচায় বরণ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মামুনুল প্রসঙ্গের বক্তব্য মুছে দিলেন স্পিকার দেশে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ শনাক্ত ১,০৬৩ জনের মালয়েশিয়ার পথে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরের শেষে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন: বিমানমন্ত্রী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বড় পরিবর্তন আনছে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ, প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বগুড়ার ৩ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
শিরোনাম
মালয়েশিয়ায় লালগালিচায় বরণ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মামুনুল প্রসঙ্গের বক্তব্য মুছে দিলেন স্পিকার দেশে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ শনাক্ত ১,০৬৩ জনের মালয়েশিয়ার পথে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরের শেষে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন: বিমানমন্ত্রী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বড় পরিবর্তন আনছে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ, প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বগুড়ার ৩ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি দেখছিলেন

শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি দেখছিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ২০:১৭

পাকিস্তানে দাঁড়িয়ে শনিবার সন্ধ্যায় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ঘোষণা করলেন যে ইরান যুদ্ধের অবসানে কোনো চুক্তি হয়নি। আর ঠিক সেই সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিক্সড মার্শাল আর্টস (ইউএফসি) লড়াই উপভোগ করছিলেন।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মায়ামির সেই অ্যারেনায় কয়েক ঘণ্টা কাটান ট্রাম্প। তার চারপাশে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, পরিবারের কয়েকজন সদস্য, ইউএফসি কর্মকর্তারা, যুক্তরাষ্ট্রের ভারতস্থ রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর, সংগীতশিল্পী ভ্যানিলা আইস, সাবেক এফবিআই কর্মকর্তা ড্যান বনগিনো এবং পডকাস্টার জো রোগান।

যখন পাকিস্তানে ভ্যান্স সাংবাদিকদের বলছিলেন, ‘দুঃসংবাদ হলো, আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি,’ তখন মায়ামিতে ট্রাম্প বড় স্ক্রিনে লড়াইয়ের হাইলাইট দেখছিলেন।

এত মানুষের মাঝেও ট্রাম্পকে দেখা যায় অনেকটা বিচ্ছিন্ন। লোকজন তার কাছে এসে আপডেট দিয়ে আবার সরে যাচ্ছিলেন। আর তিনি স্থিরভাবে বসে লড়াই দেখছিলেন।

ট্রাম্প অ্যারেনায় প্রবেশের সময় ইরানের সঙ্গে আলোচনার ব্যর্থতার খবর জানতেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। তিনি ফোন ব্যবহার করেননি; বরং রুবিও একপর্যায়ে নিজের ফোন দেখান তাকে। তবুও ট্রাম্পের মুখে কোনো হতাশা বা রাগের ছাপ ছিল না। একপর্যায়ে ক্যামেরার দিকে হালকা হাসি, আর বিজয়ীদের উদ্দেশে থাম্বস-আপ দিতে দেখা যায় তাকে।

ফ্লোরিডায় যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছিলেন, চুক্তি হোক বা না হোক, তাতে তার কিছু যায় আসে না। তিনি দাবি করেন, ‘আমরাই জিতেছি, যেভাবেই হোক।’

তবে ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের জন্য অপেক্ষা করছে কঠিন বাস্তবতা। দেশে বাড়ছে মূল্যস্ফীতি, জ্বালানির দামও বেড়েছে। আর এসবের জন্য তার নেওয়া যুদ্ধ সিদ্ধান্তকে দায়ী করছেন সমালোচকরা।

ইরানকে ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করার হুমকির কারণে ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি তার কিছু সমর্থকও ক্ষুব্ধ। কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাটরা তার অভিশংসন (ইমপিচমেন্ট) দাবি করছেন এবং তার মানসিক সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন।

তবে এসব চাপ থেকে দূরে, মায়ামির সেই অ্যারেনায় ট্রাম্প যেন নিজের স্বস্তির জায়গায় ছিলেন। দর্শকদের উচ্ছ্বাস, আগ্রাসী লড়াই—সব মিলিয়ে পরিবেশটা অনেকটা তার রাজনৈতিক সমাবেশের মতোই।

একটির পর একটি লড়াই চলেছে। রক্তমাখা মেঝে, বিজ্ঞাপনে ভরা খাঁচা—সব কিছুতেই চোখ রেখেছিলেন তিনি।

তার সঙ্গে ছিলেন মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প ও টিফানি ট্রাম্প, ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র এবং তার সঙ্গী বেটিনা অ্যান্ডারসন। তবে ভ্যান্সের সঙ্গে পাকিস্তানে থাকায় অনুপস্থিত ছিলেন ইভাঙ্কার স্বামী জ্যারেড কুশনার।

আরও পড়ুন