২৮ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ২২:০৫

শিরোনাম
১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক ১৫৭ বছরের পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রথম পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন আগামীকাল থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট মাদকবিরোধী লড়াইকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: মির্জা ফখরুল জ্বালানি সংকট, ব্রিকস ও শুল্ক ইস্যুতে সরকারের অবস্থান জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
শিরোনাম
১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক ১৫৭ বছরের পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রথম পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন আগামীকাল থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট মাদকবিরোধী লড়াইকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: মির্জা ফখরুল জ্বালানি সংকট, ব্রিকস ও শুল্ক ইস্যুতে সরকারের অবস্থান জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

ঢাকার পরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে ৩২ রুটের পরিকল্পনা ডিটিসিএর

ঢাকার পরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে ৩২ রুটের পরিকল্পনা ডিটিসিএর

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১৪:৪৩

রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে বাসের রুট সংখ্যা ৩৮৮ থেকে কমিয়ে ৩২টিতে আনার প্রস্তাব করেছে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)। বাস রুট র‌্যাশনালাইজেশন প্রকল্পের আওতায় প্রস্তাবিত এই ৩২টি রুট নিয়ে নীতিগতভাবে একমত হয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এবং বাস মালিক-শ্রমিক সংগঠনগুলো।

ডিটিসিএ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় জানানো হয়, রাজধানীতে অচল বাস রুট বাতিল করা হবে এবং ফিটনেসবিহীন বাস পর্যায়ক্রমে সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে একটি রুটে শুধুমাত্র একটি কোম্পানির বাস পরিচালনার নীতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ডিটিসিএ জানায়, প্রস্তাবিত ৩২টি রুটের মধ্যে ১৯টি ঢাকার অভ্যন্তরীণ এবং ১৩টি শহরতলি ও পার্শ্ববর্তী এলাকার। তবে যাত্রী চাহিদা বিবেচনায় ভবিষ্যতে ছোট, বড় ও সার্কুলার মিলিয়ে প্রায় ৬০টি রুটের প্রয়োজন হতে পারে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে অনুমোদিত ৩৮৮টি বাস রুটের মধ্যে ২৭৮টিই অচল। এসব রুটে কাগজে-কলমে ১১ হাজার ৩১৫টি বাসের অনুমোদন থাকলেও বাস্তবে চলাচল করছে না। অন্যদিকে সচল ১১০টি রুটে ৭ হাজার ৪৩টি বাস চলার কথা থাকলেও বাস্তবে চলাচল করছে মাত্র ৪ হাজার ৫৪৬টি বাস। এর মধ্যে ১ হাজার ৫৩টি বাসের বৈধ ফিটনেস সনদও নেই।

সভায় রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে চারটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এগুলো হলো—অচল রুট বাতিল, প্রয়োজনীয় নতুন রুট দ্রুত চূড়ান্ত করা, ফিটনেসবিহীন বাস সড়ক থেকে অপসারণ এবং রুটভিত্তিক কোম্পানি নির্ধারণ। প্রতিটি রুটে নির্দিষ্ট একটি কোম্পানিকেই বাস পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হবে। বাসের সংখ্যা, কাগজপত্র ও ফিটনেস যাচাইয়ের পরই সড়কে নামার অনুমোদন দেওয়া হবে।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় প্রধান সমন্বয়কারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। তিনি বলেন, রাজধানীর পরিবহন ব্যবস্থাকে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব করতে বাস রুট পুনর্গঠনের পাশাপাশি ভবিষ্যতে ইলেকট্রিক বাস চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। এ খাতে বিশ্বব্যাংকসহ জাপান ও চীনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে।

ডিটিসিএর প্রকল্প পরিচালক ধ্রুব আলম বণিক জানান, বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো রুটের ওভারল্যাপিং কমানো এবং প্রতিটি রুটে কতটি বাস চলবে তা নির্ধারণ করা। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ৩২টি রুটের তালিকা, রুট অ্যালাইনমেন্ট এবং কোম্পানিভিত্তিক বাস পরিচালনার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে। এরপর নির্ধারিত রঙের বাসের মাধ্যমে ক্লাস্টারভিত্তিক সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টদের আশা, কোম্পানিভিত্তিক এই নতুন ব্যবস্থা চালু হলে বাসের রেষারেষি কমবে, যাত্রীরা সময়মতো বাস পাবেন এবং রাজধানীর গণপরিবহন খাতে দীর্ঘদিনের বিশৃঙ্খলা অনেকটাই দূর হবে।

আরও পড়ুন