পূর্ববর্তী সরকারের ১,৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প এখন সরকারের ‘গলার কাঁটা’: অর্থমন্ত্রী
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ জুন, ২০২৬, ১৫:৪৬
বিগত সরকারের সময় নেওয়া প্রায় ১ হাজার ৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প বর্তমান সরকারের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, এসব প্রকল্প এমন অবস্থায় রয়েছে যে সরকার ‘না গিলতে পারছে, না ফেলতে পারছে’।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘ডিবেটিং বাজেট অ্যান্ড বিওন্ড’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অর্থমন্ত্রী জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকার প্রায় ১ হাজার ৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প পেয়েছে, যেগুলোর অনেকগুলোর কার্যকারিতা ও বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এ কারণে প্রকল্পগুলো পুনর্মূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।
তিনি বলেন, “আমরা দায়িত্বে এসে ১ হাজার ৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প পেয়েছি। এগুলো আমাদের জন্য বোঝা। না গিলতে পারছি, না ফেলতে পারছি। আমরা প্রকল্পগুলো পর্যালোচনা করেছি। ডিরেগুলেশনের দিকে যাচ্ছি এবং সব প্রকল্প কার্যকরভাবে মনিটর করবো।”
সেমিনারে সৃজনশীল অর্থনীতির গুরুত্ব তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী শিল্প যেমন মৃৎশিল্প, শীতলপাটি ও বিভিন্ন হস্তশিল্প খাতের কারিগরদের আয় বাড়াতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে। এসব পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ করা গেলে কারিগরদের আয় কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে।
তিনি বলেন, বর্তমানে ৭০০ টাকায় বিক্রি হওয়া কোনো পণ্য যদি ২ হাজার টাকায় বিক্রি করা সম্ভব হয়, তাহলে উৎপাদকদের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। মানুষের আয় বাড়লে জাতীয় অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে।
লোকসংগীত, সংস্কৃতি ও চলচ্চিত্র খাতের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার সৃজনশীল শিল্প ও সংস্কৃতিকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করতে চায়। বিনোদন খাতকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়ের উৎস হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।
তিনি বলেন, “গান, সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র—সবকিছুকেই আমরা অর্থনৈতিক মূল্য সংযোজনের আওতায় আনতে চাই। বিনোদনও অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হতে পারে।”
এছাড়া দেশের ঐতিহ্যবাহী ও ঐতিহাসিক স্থানগুলো সংস্কার করে পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এ লক্ষ্যেই চলতি বাজেটে সৃজনশীল অর্থনীতির জন্য বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
কৃষি খাতকে সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতগুলোর একটি উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কৃষি উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন
- • আশুরার শিক্ষা শান্তি ও ন্যায়ের পথ দেখায়: প্রধানমন্ত্রী
- • বিশ্বকাপ জয়ের সম্ভাবনায় এগিয়ে আর্জেন্টিনা, পিছিয়েছে ব্রাজিল
- • হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র না হলে লেবানন ছাড়বে না ইসরায়েল
- • ছোট পর্দা থেকে বিশ্বজয়, শাহরুখের সাফল্যের ৩৪ বছর
- • হরমুজে জাহাজ চলাচল বাড়তেই কমল বিশ্ববাজারে তেলের দাম
- • ‘মাঠের বাইরেও অসাধারণ মানুষ’, মেসির জন্মদিনে নেইমারের আবেগঘন বার্তা
- • শহরে আসা শিক্ষকদের আবার গ্রামে ফিরতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
- • ভেনেজুয়েলার পর এবার চিলিতে ৫.৫ মাত্রার ভূমিকম্প
- • ডেভিডের হ্যাটট্রিকে কাতারকে উড়িয়ে দিল কানাডা
- • মালয়েশিয়ার ২ হাজার বন্দিদের ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
- • কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ
- • বন্ধ কারখানাগুলোয় বিদেশি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- • মালয়েশিয়ার পথে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী
- • বগুড়ার সেই দুই ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশে প্রধানমন্ত্রীর
- • বগুড়ার ৩ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- • ফের হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিল ইরান
- • যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের বৈঠকে সুইজারল্যান্ডে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান
- • চাপের মুখে সমঝোতায় ট্রাম্প, কেন যুদ্ধবিরতির পথে হাঁটল যুক্তরাষ্ট্র?
