১৮ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২০:০৩

শিরোনাম
গম চাষে তামাকের জমি ব্যবহারের পরিকল্পনা কৃষিমন্ত্রীর আড়াই বছরে জাপানে ৫ লাখ কর্মী পাঠানোর লক্ষ্য বিকেটিটিসির চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে সর্বোচ্চ রেকর্ড পিলারের নিচের মাটি নয়, সরানো হয়েছে নির্মাণকাজের অস্থায়ী রাস্তা: সড়ক ও রেলমন্ত্রী সংসদে মাথা ঝুঁকিয়ে প্রবেশ বা ত্যাগের প্রথা বাতিল করলেন স্পিকার বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েনের পরিকল্পনা পাকিস্তানের, দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিতে নতুন সমীকরণ সেনাবাহিনীকে আধুনিকায়নে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: সেনাপ্রধান স্পেনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ
শিরোনাম
গম চাষে তামাকের জমি ব্যবহারের পরিকল্পনা কৃষিমন্ত্রীর আড়াই বছরে জাপানে ৫ লাখ কর্মী পাঠানোর লক্ষ্য বিকেটিটিসির চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে সর্বোচ্চ রেকর্ড পিলারের নিচের মাটি নয়, সরানো হয়েছে নির্মাণকাজের অস্থায়ী রাস্তা: সড়ক ও রেলমন্ত্রী সংসদে মাথা ঝুঁকিয়ে প্রবেশ বা ত্যাগের প্রথা বাতিল করলেন স্পিকার বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েনের পরিকল্পনা পাকিস্তানের, দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিতে নতুন সমীকরণ সেনাবাহিনীকে আধুনিকায়নে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: সেনাপ্রধান স্পেনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ

গম চাষে তামাকের জমি ব্যবহারের পরিকল্পনা কৃষিমন্ত্রীর

গম চাষে তামাকের জমি ব্যবহারের পরিকল্পনা কৃষিমন্ত্রীর

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ জুন, ২০২৬, ১৯:০২

দেশে গমের উৎপাদন বাড়াতে তামাক চাষের জমিসহ বিভিন্ন অনাবাদি ও কম ব্যবহৃত এলাকায় গমের আবাদ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বর্তমানে দেশে ২ লাখ ৮৮ হাজার হেক্টর জমিতে গম চাষ হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে এ তথ্য জানান কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, গম চাষ বৃদ্ধির জন্য সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে প্রধান উৎপাদন এলাকাগুলোতে নতুন ও উচ্চফলনশীল জাতের সম্প্রসারণ এবং ধানভিত্তিক ফসল চক্রে গমকে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, উত্তরাঞ্চলের হালকা বুনটের মাটিতে ‘আগাম আলু-গম-ভুট্টা-আমন ধান’ ভিত্তিক চার ফসলি পদ্ধতি জনপ্রিয় করা হচ্ছে। পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ত এলাকা, সিলেটের পতিত জমি, চরাঞ্চল, বরেন্দ্র অঞ্চল, পাহাড়ি সমতল ভূমি এবং তামাক চাষের জমিতে গমের আবাদ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, হেক্টরপ্রতি ৬ টন বা তার বেশি ফলন দিতে সক্ষম গমের নতুন জাত উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণে কাজ চলছে। একই সঙ্গে আধুনিক উৎপাদন প্রযুক্তি, রোগবালাই ব্যবস্থাপনা, বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ বিষয়ে কৃষকদের প্রশিক্ষণ জোরদার করা হচ্ছে।

তিনি জানান, গমের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এবং সরকারি পর্যায়ে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে গম সংগ্রহের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, গম চাষে উৎসাহ দিতে প্রতি বছর প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের বীজ, সার ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ দেওয়া হচ্ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের ৬৪ জেলার ২ লাখ ৭৯ হাজার ৩০০ কৃষককে প্রতি বিঘায় ২০ কেজি গমের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ১০ কেজি এমওপি সার দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন