১৮ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১২:১৮

শিরোনাম
ফল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে বাংলাদেশ: কৃষিমন্ত্রী মানবিক সহায়তা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর আহ্বান বাংলাদেশের পুলিশ প্রশাসনে রদবদল, বদলি হলেন ১২ কর্মকর্তা সংসদে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ দাবি, পরে ভুল স্বীকার করলেন এমপি মালয়েশিয়ার যাত্রা শেষে চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’র ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী পুশইন ইস্যুতে সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে: আইনমন্ত্রী চালের বাজার স্থিতিশীল, মজুতেও নেই ঘাটতি: বাণিজ্যমন্ত্রী
শিরোনাম
ফল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে বাংলাদেশ: কৃষিমন্ত্রী মানবিক সহায়তা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর আহ্বান বাংলাদেশের পুলিশ প্রশাসনে রদবদল, বদলি হলেন ১২ কর্মকর্তা সংসদে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান’ দাবি, পরে ভুল স্বীকার করলেন এমপি মালয়েশিয়ার যাত্রা শেষে চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’র ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী পুশইন ইস্যুতে সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে: আইনমন্ত্রী চালের বাজার স্থিতিশীল, মজুতেও নেই ঘাটতি: বাণিজ্যমন্ত্রী

সৌদি আরবের বিমান ঘাঁটিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অবস্থান

সৌদি আরবের বিমান ঘাঁটিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অবস্থান

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ০০:৫৫

দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত যৌথ কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশ হিসেবে সৌদি আরবের ‘বাদশাহ আব্দুল আজিজ বিমান ঘাঁটিতে’ অবস্থান নিয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ সামরিক দল। 

শনিবার (১১ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই খবর জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আরব নিউজ। পাকিস্তান বিমানবাহিনীর আধুনিক যুদ্ধবিমান ও প্রয়োজনীয় সহায়তাকারী বিমান নিয়ে গঠিত এই বাহিনীর মূল লক্ষ্য হলো দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সামরিক সমন্বয় জোরদার করা এবং অপারেশনাল প্রস্তুতির মান বৃদ্ধি করা।

আরব নিউজের তথ্যমতে, গত ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় এই মোতায়েন সম্পন্ন হয়েছে। এই পদক্ষেপকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে এবং যেকোনো সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি করাই এই অভিযানের প্রধান উদ্দেশ্য।

সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পাকিস্তানি বিমানবাহিনীর এই উপস্থিতি কেবল যৌথ প্রশিক্ষণই নয়, বরং দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

আরও পড়ুন