০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৭:১৩

শিরোনাম
৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রিপেইড মিটারে স্বস্তি, বাতিল মাসিক চার্জ দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৬৫
শিরোনাম
৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রিপেইড মিটারে স্বস্তি, বাতিল মাসিক চার্জ দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৬৫

চট্টগ্রামে তৈরি ৩ ল্যান্ডিং ক্রাফট যাচ্ছে আরব আমিরাতে

চট্টগ্রামে তৈরি ৩ ল্যান্ডিং ক্রাফট যাচ্ছে আরব আমিরাতে

প্রকাশিত: ২০ নভেম্বর, ২০২৫, ১৯:০৩

দেশের জাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরে তৈরি তিনটি ল্যান্ডিং ক্রাফট ইউএই-এর প্রতিষ্ঠান মারওয়ান অ্যান্ড ট্রেডিং কোম্পানি এলএলসি-কে হস্তান্তর করেছে। জাহাজগুলোর নাম মায়া, এসএমএস এমি ও মুনা।

আজ বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) পটিয়ায় শিপইয়ার্ডের সামনে আয়োজিত জাহাজ ডেলিভারি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলী আব্দুল্লাহ খাসিফ আল হামুদি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আব্দুর রহিম খান, মারওয়ান শিপিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ মোহাম্মদ হুসাইন আল মারজুকি, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি ও কোস্ট গার্ড কর্মকর্তারা।

রাষ্ট্রদূত হামুদি বলেন, এই তিনটি নতুন ল্যান্ডিং ক্রাফট নির্মাণ দুই দেশের মধ্যে সামুদ্রিক ব্যবসায়িক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আব্দুর রহিম খান বলেন, সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাত যুক্ত হওয়ায় রপ্তানিতে জাহাজ নির্মাণ একটি নতুন মাত্রা পেয়েছে।

জাহাজগুলি ইউএই-ভিত্তিক ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী নির্মিত এবং অফশোর সাপ্লাই, মালবাহী পরিবহন ও সমুদ্র বাণিজ্যে ব্যবহারের উপযোগী।

প্রতিটি ল্যান্ডিং ক্রাফটের দৈর্ঘ্য ৬৯ মিটার, প্রস্থ ১৬ মিটার, ড্রাফট ৩ মিটার; ১০ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলতে সক্ষম। প্রায় ৭০০ বর্গমিটার ক্লিয়ার ডেক স্পেস ভারী যন্ত্রপাতি ও বাল্ক কার্গোর পরিবহনে উপযুক্ত।

ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন সোহেল হাসান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি জাহাজের চাহিদা বাড়ছে, এবং এই রফতানি দেশের জাহাজনির্মাণ শিল্পের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।

ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (কমার্শিয়াল) শহিদুল বাশার জানান, প্রতিটি জাহাজ নির্মাণে খরচ প্রায় ৭–৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার হলেও, শুধুমাত্র মজুরি বাবদ ক্রেতা প্রতিষ্ঠান ২.২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পরিশোধ করেছে।

মারওয়ানের সঙ্গে মোট আটটি জাহাজ নির্মাণের চুক্তি রয়েছে—দুটি টাগবোট, চারটি ল্যান্ডিং ক্রাফট ও দুটি অয়েল ট্যাংকার। এর মধ্যে চলতি বছরে চারটি ল্যান্ডিং ক্রাফট ও দুটি টাগবোট রফতানি করা হবে; বাকি দুটি অয়েল ট্যাংকার ২০২৬ সালের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে।

আরও পড়ুন