২৮ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ২১:১৫

শিরোনাম
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রথম পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন আগামীকাল থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট মাদকবিরোধী লড়াইকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: মির্জা ফখরুল জ্বালানি সংকট, ব্রিকস ও শুল্ক ইস্যুতে সরকারের অবস্থান জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রস্তুত ইসি, দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত নয় শাহজালাল বিমানবন্দরে অতিরিক্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে সাময়িক স্থগিতাদেশ
শিরোনাম
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রথম পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন আগামীকাল থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট মাদকবিরোধী লড়াইকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: মির্জা ফখরুল জ্বালানি সংকট, ব্রিকস ও শুল্ক ইস্যুতে সরকারের অবস্থান জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রস্তুত ইসি, দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত নয় শাহজালাল বিমানবন্দরে অতিরিক্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে সাময়িক স্থগিতাদেশ

বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ফাউলের শিকার খেলোয়াড় কে?

বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ফাউলের শিকার খেলোয়াড় কে?

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১৮:০২

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। এবারের আসরে নতুন রেকর্ডের সম্ভাবনা থাকলেও এমন কিছু রেকর্ড রয়েছে, যা ভাঙা বর্তমান সময়ের ফুটবল তারকাদের জন্য প্রায় অসম্ভব। এর মধ্যে অন্যতম আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার বিশ্বকাপ রেকর্ড।

বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ফাউলের শিকার হওয়া খেলোয়াড় হলেন ম্যারাডোনা। ১৯৭০ সাল থেকে এই ধরনের পরিসংখ্যান রাখা শুরু হওয়ার পর দেখা গেছে, চারটি বিশ্বকাপে (১৯৮২, ১৯৮৬, ১৯৯০, ১৯৯৪) খেলায় তিনি মোট ১৫২টি ফাউলের শিকার হয়েছেন। মাত্র ২১ ম্যাচে তার গড় ছিল প্রতি ম্যাচে ৭.২৩টি ফাউল। এর মধ্যে ১০০টিরও বেশি ফাউল হয়েছিল শুধু ১৯৮৬ মেক্সিকো ও ১৯৯০ ইতালি বিশ্বকাপেই।

তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছেন বর্তমান আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। পাঁচটি বিশ্বকাপে ২৬ ম্যাচে তিনি ৭৫টি ফাউলের শিকার হয়েছেন, যেখানে তার গড় প্রতি ম্যাচে ২.৮৮।

এরপর তালিকায় রয়েছেন ব্রাজিলের দুই তারকা- জায়ারজিনহো (৬৪টি) এবং নেইমার (৬০টি)। পঞ্চম স্থানে আছেন পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, যিনি ৫৮বার ফাউলের শিকার হয়েছেন। তিনটি বিশ্বকাপে নেইমারের গড় প্রতি ম্যাচে চারটি ফাউল, আর রোনালদোর গড় ২.৬৩।

যদি মেসি, নেইমার ও রোনালদো ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলেন, তবে তাদের পরিসংখ্যানে কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। তবে বর্তমান ফুটবলে কঠোর নিয়ম, খেলোয়াড়দের সুরক্ষা ও ভিএআর প্রযুক্তির কারণে ম্যারাডোনার মতো বেশি ফাউলের শিকার হওয়ার ঘটনা এখন অনেক কম। বিশেষজ্ঞদের মতে, ম্যারাডোনার সময়ের ফুটবল ছিল অনেক বেশি শারীরিক এবং সংঘর্ষপূর্ণ।

২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা গ্রুপ জে-তে রয়েছে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া, আলজেরিয়া ও জর্ডান। ১৬ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তারা বিশ্বকাপ শুরু করবে। পর্তুগাল খেলবে গ্রুপ কে-তে, প্রতিপক্ষ কলম্বিয়া, উজবেকিস্তান এবং ইন্টারকন্টিনেন্টাল প্লে-অফ বিজয়ী দল।

ব্রাজিল গ্রুপ সি-তে আছে, তাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো, হাইতি ও স্কটল্যান্ড। ১৩ জুন মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ অভিযান।

এখনো মেসি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেননি। ইনজুরি থেকে পুরোপুরি সুস্থ হলে তবেই নেইমার দলে থাকতে পারবেন। অন্যদিকে, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, তিনি খেলবেন, তবে এটি হতে পারে তার শেষ বিশ্বকাপ।

আরও পড়ুন