১৮ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৯:০৩

শিরোনাম
গম চাষে তামাকের জমি ব্যবহারের পরিকল্পনা কৃষিমন্ত্রীর আড়াই বছরে জাপানে ৫ লাখ কর্মী পাঠানোর লক্ষ্য বিকেটিটিসির চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে সর্বোচ্চ রেকর্ড পিলারের নিচের মাটি নয়, সরানো হয়েছে নির্মাণকাজের অস্থায়ী রাস্তা: সড়ক ও রেলমন্ত্রী সংসদে মাথা ঝুঁকিয়ে প্রবেশ বা ত্যাগের প্রথা বাতিল করলেন স্পিকার বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েনের পরিকল্পনা পাকিস্তানের, দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিতে নতুন সমীকরণ সেনাবাহিনীকে আধুনিকায়নে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: সেনাপ্রধান স্পেনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ
শিরোনাম
গম চাষে তামাকের জমি ব্যবহারের পরিকল্পনা কৃষিমন্ত্রীর আড়াই বছরে জাপানে ৫ লাখ কর্মী পাঠানোর লক্ষ্য বিকেটিটিসির চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে সর্বোচ্চ রেকর্ড পিলারের নিচের মাটি নয়, সরানো হয়েছে নির্মাণকাজের অস্থায়ী রাস্তা: সড়ক ও রেলমন্ত্রী সংসদে মাথা ঝুঁকিয়ে প্রবেশ বা ত্যাগের প্রথা বাতিল করলেন স্পিকার বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েনের পরিকল্পনা পাকিস্তানের, দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিতে নতুন সমীকরণ সেনাবাহিনীকে আধুনিকায়নে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: সেনাপ্রধান স্পেনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ

সালমানের প্রশংসায় বলিউড অভিনেত্রী চিত্রাঙ্গদা সিং

সালমানের প্রশংসায় বলিউড অভিনেত্রী চিত্রাঙ্গদা সিং

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১৭:০৩

শুটিং সেটে ‘ভাইজান’-এর প্রশংসায় পঞ্চমুখ বলিউড অভিনেত্রী চিত্রাঙ্গদা সিং। অভিনেতা সালমান খানকে নিয়ে কাজ করা যে কোনো অভিনেত্রীর জন্যই বিশেষ কিছু বলে জানিয়েছেন তিনি। তার ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম নয়। 

'মাতৃভূমি' সিনেমার শুটিং করতে গিয়ে সালমানের কর্মনিষ্ঠা ও সাধারণ মানুষের প্রতি তার ভালোবাসা দেখে মুগ্ধ হয়েছেন অভিনেত্রী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমন কথাই বলেছেন চিত্রাঙ্গদা সিং।

'মাতৃভূমি' সিনেমার শুটিং অভিজ্ঞতা চিত্রাঙ্গদার জন্য কেবল কাজ নয়, বরং সালমান খানের মানবিকতা এবং পেশাদারত্বকে কাছ থেকে দেখার এক স্মরণীয় সুযোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানান এ অভিনেত্রী।

তিনি বলেন, সালমান তার টিমের প্রতিটি মানুষের খুব খেয়াল রাখেন। বিশেষ করে সবাইকে খাওয়ানো তার অন্যতম প্রিয় কাজ। নাস্তার বিরতি থেকে শুরু করে দুপুরের কিংবা রাতের খাবার—সবাই ঠিকমতো পাচ্ছে কিনা, সেদিকে তার কড়া নজর থাকে।

চিত্রাঙ্গদা বলেন, সালমানের আসলে কোনো ছুটির দিন নেই। তিনি সারাক্ষণ সিনেমাটি কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, তা ভিএফএক্স হোক কিংবা ফ্রেমের ছোট কোনো অংশ— তা নিয়ে ভাবেন। 

তিনি বলেন, একদিন আমার একটি খুব আবেগঘন দৃশ্যের শুটিং ছিল। সেখানে সালমানের থাকার কোনো দরকার ছিল না। কিন্তু শুধু আমার সংলাপের সঠিক প্রতিক্রিয়া দিতে তিনি সেটে চলে এসেছিলেন। শিল্পের প্রতি এই নিবেদন সত্যিই শেখার মতো।

শুটিং সেটে সালমানকে কোনো বড় তারকার চেয়ে বরং সাধারণ কর্মীদের সঙ্গে বেশি আড্ডা দিতে দেখা যায় বলেও জানিয়েছেন চিত্রাঙ্গদা সিং। তিনি বলেন, সালমান সেটের লাইট বয় থেকে শুরু করে সবার সঙ্গেই খুব সহজভাবে মেশেন। চিৎকার-চেঁচামেচি করে কাজ করানোয় তিনি বিশ্বাসী নন। বরং সেটের পরিবেশ আনন্দদায়ক রাখতেই তিনি বেশি পছন্দ করেন।

আরও পড়ুন