২৮ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৯:১৪

শিরোনাম
গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন আগামীকাল থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট মাদকবিরোধী লড়াইকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: মির্জা ফখরুল জ্বালানি সংকট, ব্রিকস ও শুল্ক ইস্যুতে সরকারের অবস্থান জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রস্তুত ইসি, দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত নয় শাহজালাল বিমানবন্দরে অতিরিক্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে সাময়িক স্থগিতাদেশ গণপরিবহনে জিপিএস সংযোজন বাধ্যতামূলক করল বিআরটিএ
শিরোনাম
গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন আগামীকাল থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট মাদকবিরোধী লড়াইকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: মির্জা ফখরুল জ্বালানি সংকট, ব্রিকস ও শুল্ক ইস্যুতে সরকারের অবস্থান জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রস্তুত ইসি, দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত নয় শাহজালাল বিমানবন্দরে অতিরিক্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে সাময়িক স্থগিতাদেশ গণপরিবহনে জিপিএস সংযোজন বাধ্যতামূলক করল বিআরটিএ

কৃষিতে প্রতি বছর ব্যবহার হচ্ছে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার কীটনাশক

কৃষিতে প্রতি বছর ব্যবহার হচ্ছে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার কীটনাশক

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১ জুন, ২০২৬, ১০:১৯

দেশে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে কীটনাশকের ব্যবহার। গত পাঁচ বছরে এর ব্যবহার বেড়েছে ৮১ দশমিক ৫ শতাংশ। বর্তমানে বছরে প্রায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন কীটনাশক ব্যবহৃত হচ্ছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর বড় একটি অংশ নিম্নমানের বা ভেজাল হওয়ায় কৃষি, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭২ সালে দেশে কীটনাশক ব্যবহারের পরিমাণ ছিল প্রায় ৪ হাজার মেট্রিক টন। পাঁচ দশকে তা বেড়ে প্রায় ১০ গুণ হয়েছে। ২০২৩ সালে দেশে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৯ হাজার ১৫৭ মেট্রিক টন কীটনাশক।

বিশেষজ্ঞদের অভিযোগ, বাজারে থাকা অনেক কীটনাশকই নিম্নমানের। এতে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত ফল মিলছে না। উল্টো মাটির উর্বরতা কমছে, দূষিত হচ্ছে পানি ও পরিবেশ। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মাছ, পাখি ও উপকারী পোকামাকড়।

সেন্টার ফর অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড বায়োসায়েন্স ইন্টারন্যাশনালের প্রকল্প সমন্বয়ক ড. দিলরুবা শারমিন বলেন, কীটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহার ক্যানসারসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। নদী-নালা ও জলাশয়ে এসব রাসায়নিক মিশে জলজ প্রাণীর প্রজননেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক আব্দুল মুঈদ বলেন, মাঠে কীটনাশক প্রয়োগের সময় নিরাপত্তাসামগ্রী ব্যবহার না করায় কৃষকেরা সরাসরি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন। খাদ্য উৎপাদনের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

তবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম জানিয়েছেন, ভেজাল ও নিম্নমানের কীটনাশক নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত তদারকি ও নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। সম্প্রতি পরীক্ষায় নিম্নমানের প্রমাণিত বেশ কয়েকটি পণ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কীটনাশকের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা (আইপিএম), জৈব কৃষি ও বায়ো-পেস্টিসাইড ব্যবহারে জোর না দিলে ভবিষ্যতে কৃষি ও জনস্বাস্থ্যের সংকট আরও গভীর হতে পারে।

আরও পড়ুন