বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৭ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা শুরু
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৫৮
জাতীয়ভাবে চৈত্রসংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা গারো ও অন্যান্য জাতি গোষ্ঠীর নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) থেকে ৭ দিনব্যাপী শুরু হচ্ছে বৈশাখী মেলা।
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প করপোরেশন (বিসিক) ও বাংলা একাডেমি আয়োজিত এই মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মেলায় কৃষিজাত দ্রব্য, কারুপণ্য, লোকশিল্পজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য, জিআই পণ্য, কুটির শিল্পজাত সামগ্রী, হস্তশিল্পজাত ও মৃৎশিল্পজাত সামগ্রী পাওয়া যাবে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই মেলার উদ্বোধন করবেন। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আযম বলেন, বৈশাখী মেলা মূলত সর্বজনীন লোকজ মেলা। প্রতিবছরের মতো এবারও বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়েছে। নববর্ষকে উৎসবমুখর করতে এ মেলার আয়োজন করা হয়। বাংলা একাডেমিতে সাধারণত ৩০ শতাংশ কমিশনে বই বিক্রি করে থাকে। কিন্ত বই পড়াকে উদ্বুদ্ধ করতে বৈশাখী মেলায় ৭০ শতাংশ কমিশনে বই বিক্রি করা হবে।
বিসিক চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিসিকের মেলা সারাবছরই মতিঝিলসহ নানাস্থানে হয়ে থাকে। এবার ১৬০টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে চামড়াজাত পণ্য ৭টি, জামদানি পণ্য ৬টি, নকশিকাঁথা ৪টি, বস্ত্র ৪৪টি, শতরঞ্জি ৫টি, মণিপুরি শাড়ি ২টি সংগঠনকে স্টল দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বিনামূল্যে প্রান্তিক কারুশিল্পীদের জন্য ১৩টি স্টল, ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর জন্য ২টি স্টল, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনকে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির জন্য ১ টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কারুশিল্পী জোন, বাচ্চাদের রাইড ও বিনোদন জোন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পুতুল নাচ ও বায়োস্কোপ এর জন্য ১৩টি স্টল বরাদ্দ রয়েছে।
তিনি বলেন, আগে বিসিকের আয়োজনে করা মেলায় লোকসমাগম কম থাকত, স্টলগুলোও পরিপূর্ণ থাকত না। আশার কথা এই যে, নানা শর্তে সংগঠনগুলোকে এখন এ মেলায় অংশগ্রহণ করতে দেখা যাচ্ছে। অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা আছেন, যারা আর্থিক সঙ্গতির অভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত মেলাগুলোতে অংশগ্রহণ করতে পারেন না। আবার তাদের অনেকের শোরুম বা মার্কেটে দোকান ক্রয় করার সামর্থ্যও থাকে না। আমরা তাদের বিশেষভাবে সহযোগিতা করছি। সুতরাং বৈশাখী মেলাটি এই গোষ্ঠীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উল্লেখ্য, বিসিক প্রতিষ্ঠাকাল থেকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই) শিল্পের উন্নয়ন ও বিকাশে কাজ করে আসছে। নতুন উদ্যোক্তা অন্বেষণ, উদ্যোক্তা সৃষ্টি, শিল্প নিবন্ধন প্রদান, প্রশিক্ষণ প্রদান, ঋণ সহায়তা প্রদানসহ উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্যের প্রচার-প্রসার ও বাজারজাতকরণ এবং সম্প্রসারণের জন্য বছরব্যাপী পণ্যমেলা ও পণ্য প্রদর্শনীর আয়োজন করে থাকে।
আরও পড়ুন
- • ফোর্বসের ‘৩০ আন্ডার ৩০ এশিয়া’ তালিকায় জায়গা পেলেন হানিয়া আমির
- • ধর্মেন্দ্রর বায়োপিকে কে? জবাব দিলেন ববি
- • মেধা হারাচ্ছে দেশ
- • মাদকের ছোবলে হারিয়ে যাচ্ছে তরুন সমাজ
- • আবারো বাড়ল দেশের রিজার্ভ
- • আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যু, মিলল তদন্তের প্রতিবেদন
- • কুয়েতে ড্রোন হামলায় আহত ৪ বাংলাদেশি
- • ৫ দিনের বৃষ্টির খবর দিল আবহাওয়া অফিস
- • ফ্রিল্যান্সারদের আয়ে থাকছে না সাড়ে সাত শতাংশ কর
- • ফ্লোরিডা নয়, ডোবার পাশেই মিলবে মশা দমনের শিক্ষা: প্রধানমন্ত্রী
- • বৈশ্বিক অস্থিরতায় স্বর্ণের দামে নতুন প্রভাব
- • পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ
- • ত্যাগের মহিমায় উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা
- • জানা গেলো মৃত নুরজাহান বেগমের তিন ছেলে ও এক কন্যার পরিচয়
- • নতুন গানে পরীমণি
- • কোকোর কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান
- • লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলার জবাবে হিজবুল্লাহর দফায় দফায় পাল্টা হামলা
- • প্রশাসনে বড় রদবদল, সাত অতিরিক্ত সচিবকে নতুন দায়িত্ব
