আমি গুলি চালাইনি: দাবি হাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সালের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২২ মার্চ, ২০২৬, ২২:০৩
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যার প্রধান দুই অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল এবং আলমগীর হোসেনকে ১২ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজত (জেল হাজত) নির্দেশ দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় আদালত।
রবিবার (২২ মার্চ) উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বিধাননগর মহকুমা আদালতে তোলা হয় এই দুই অভিযুক্তকে।
আদালত তাদের ১২ দিনের জেলা হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। সেক্ষেত্রে আগামী ২ এপ্রিল তাদের ফের আদালতে তোলা হবে। তাদের বিরুদ্ধে আগেই ১৪ ফরেনারস আইনে মামলা দায়ের করা ছিল। এদিন নতুন করে অন্য একটি মামলায় ‘আনলফুল এক্টিভিটিস (প্রিভেনশন) আইন’ বা ইউএপিএ আইনের ১৬ এবং ১৮ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিন ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)-এর তরফে আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে, তারা যাতে কারাগারে গিয়ে তাদেরকে জেরা করতে পারে। আদালত তাতে সম্মতি জানায়। সেক্ষেত্রে তদন্তের স্বার্থে ফয়সাল ও আলমগীরকে কারাগারে গিয়ে জেরা করবে। সে ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এই ধারায় সর্বোচ্চ সাজা হতে পারে।
আদালতের নির্দেশের পর যখন অভিযুক্তদের দমদম কেন্দ্রীয় কারাগারের পথে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল সে সময় সংবাদমাধ্যমের সামনে ফয়সাল বলেন, “আমি এই ধরনের কাজের সাথে জড়িত নই।”
তাকে প্রশ্ন করা হয় তুমি কি খুন করেছিলে? সে জানায় ‘না।’
পরে সে বলে, “এটা জামাত-বিএনপি'র একটা চাল হতে পারে।”
জামাতের কে এর সাথে জড়িত, সেই প্রশ্নের উত্তরে ফয়সাল বলেন, “সেটা আমি জানিনা।”
এসময় স্থানীয় গণমাধ্যমেরকর্মীদের উদ্দেশ্যে ফয়সাল বলেন, “আপনারা যে হাদি হাদি করছেন, বাংলাদেশের মানুষ যে হাদি হাদি করছে... হাদিতো আসলে জামাতের প্রোডাক্ট। ও তো একটা জঙ্গি।”
তবে কে খুন করেছিল? তার উত্তরে বলেন, “আমি করি নি। অন দ্যা স্পটে আমি ছিলাম না। আমাকে গুলি করতে দেখা যায় নি। এই ঘটনায় জামাত বিএনপির কাজ হতে পারে।' ”
এর আগে ফয়সালকে বিধান নগর মহকুমা হাসপাতালে শারীরিক পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবশ্য কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি।
উল্লেখ্য, ৭ ও ৮ মধ্যবর্তী রাতে অভিযুক্ত দুজনকেই বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। ৩৭ বছর বয়সী ফয়সাল করিম মাসুদের বাড়ি বাংলাদেশের পটুয়াখালী এলাকায় এবং ৩৪ বছর বয়সী আলমগীর হোসেনের বাড়ি ঢাকায়।
ওই দুই অভিযুক্ত অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন এবং বনগাঁয় আত্মগোপন করেছিলেন। সুযোগ বুঝে ফের তারা বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টার অপেক্ষায় ছিল বলে এসটিএফ সূত্রে সূত্রের খবর।
এসটিএফ সূত্রে জানিয়েছে, ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন দুজনেই হাদিকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে। তারা উভয়ই মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে এবং গত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করছিল। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে তাদের বিধান নগর মহকুমা আদালতে তোলা হলে ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ডের নির্দেশ দেয় আদালত। সেই রিমান্ড শেষে রবিবার ফের তাদের আদালতে তোলা হয়।
আরও পড়ুন
- • প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত
- • পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি
- • মাদকসহ গ্রেপ্তার পুলিশ কনস্টেবল
- • ৫ জুলাই গৌরি-আমিরের বিয়ে, জানালেন নিজেই
- • তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার
- • গরমে ‘সুস্থতার দাওয়াই’ দিলেন মোদি, তালিকায় দেশীয় ঐতিহ্যবাহী পানীয়
- • ২০০ টাকায় দেখা যাবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজ
- • ৬১ বছর বয়সী আমির খানের তৃতীয় বিয়ে
- • ফ্রিল্যান্সারদের আয়ে থাকছে না সাড়ে সাত শতাংশ কর
- • ফ্লোরিডা নয়, ডোবার পাশেই মিলবে মশা দমনের শিক্ষা: প্রধানমন্ত্রী
- • বৈশ্বিক অস্থিরতায় স্বর্ণের দামে নতুন প্রভাব
- • জানা গেলো মৃত নুরজাহান বেগমের তিন ছেলে ও এক কন্যার পরিচয়
- • পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ
- • নতুন গানে পরীমণি
- • প্রশাসনে বড় রদবদল, সাত অতিরিক্ত সচিবকে নতুন দায়িত্ব
- • ৫ দিনের বৃষ্টির খবর দিল আবহাওয়া অফিস
- • বুধবার বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার ঘোষণা করবে বিইআরসি
- • তাপমাত্রা পৌঁছাতে পারে ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি
