০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৪:০৬

শিরোনাম
ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন
শিরোনাম
ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন

জবিতে হল সংকট, দখলমুক্তি অনিশ্চিত

জবিতে হল সংকট, দখলমুক্তি অনিশ্চিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ মে, ২০২৬, ২০:১২

রাজধানীর পুরান ঢাকায় অবস্থিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা নিতে এসে আবাসন সংকটে পড়ছেন অধিকাংশ শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে ১২টি আবাসিক হল থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে সেগুলোর বেশিরভাগই বেদখলে থাকায় কার্যকর আবাসন ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। ফলে শিক্ষার্থীদের উচ্চ ভাড়ায় বাসা বা মেসে থেকে কষ্টে জীবনযাপন করতে হচ্ছে।

২০০৫ সালে জগন্নাথ কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের পর থেকেই অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট হয়। বর্তমানে প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য আবাসিক সুবিধা বলতে কার্যত একটি হলই রয়েছে। ২০২০ সালে ছাত্রীদের জন্য একটি হল চালু হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।

আবাসনের পাশাপাশি অন্যান্য সুবিধাতেও ঘাটতি রয়েছে। একটি মাত্র ক্যান্টিনে নিম্নমানের খাবার অথবা বেশি দামে ফুডকোর্টের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। এছাড়া পরিবহন সংকট, লাইব্রেরিতে আসনের অভাবসহ নানা সমস্যায় প্রতিনিয়ত ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে তাদের। অনেকেই অনিরাপদ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, আইন অনুযায়ী ১২টি হলের অস্তিত্ব থাকলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেগুলো বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দখলে চলে যায়। ২০০৯ সাল থেকে একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও আইনি জটিলতা ও প্রশাসনিক বাধার কারণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।

বর্তমানে প্রশাসন আইনি প্রক্রিয়া জোরদার করে হলগুলো পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে। তবে মালিকানা বিরোধ, জাল কাগজপত্র ও আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে এই প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হচ্ছে। অনেক জায়গায় ইতোমধ্যে বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।

এদিকে হল পুনরুদ্ধারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনও নতুন গতি পেয়েছে। সম্প্রতি একটি হল খালি করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে আইনি জটিলতার মধ্যেও নির্মাণকাজ এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দিন জানান, সব হল পুনরুদ্ধার করা সম্ভব নাও হতে পারে। তবে আইনগতভাবে যতটুকু সম্ভব সম্পদ উদ্ধার এবং নতুন আবাসিক সুবিধা তৈরির কাজ চলছে।

তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতায় চলমান প্রকল্পগুলোর জটিলতা দূর করে নতুন হল নির্মাণ এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

দীর্ঘদিনের বেদখল ও জটিলতার কারণে জবির আবাসন সংকট এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে প্রশাসনিক উদ্যোগ ও শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে এর সমাধান কত দ্রুত হবে, সেটিই এখন মূল প্রশ্ন।

আরও পড়ুন