০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২২:১২

শিরোনাম
৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২
শিরোনাম
৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২

মার্চ মাস এলেই মাঠের বাহিরে নেইমার; কাকতালীয় ঘটনা নাকি অভিনয়?

মার্চ মাস এলেই মাঠের বাহিরে নেইমার; কাকতালীয় ঘটনা নাকি অভিনয়?

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২ মার্চ, ২০২৬, ২১:১৪

ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকা নেইমার জুনিয়র এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে এক অদ্ভুত কাকতালীয় ঘটনা, যা ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ‘রাফায়েলা সান্তোসের জন্মদিনের অভিশাপ’ (Neymar's sister's birthday curse) নামে পরিচিত। এবারও ২০২৬ সালের ১১ মার্চ তার ছোট বোন রাফায়েলার জন্মদিনের আশেপাশে নেইমার মাঠে নামতে পারেননি — সান্তোস ক্লাব তাকে বিশ্রাম দিয়েছে মাসকুলার ডিসকমফর্টের কারণ দেখিয়ে।

এ নিয়ে ফুটবল বিশ্বে আলোচনা তুঙ্গে। গত ১০-১১ বছর ধরে (২০১৫ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত) প্রায় প্রতি বছরই মার্চ মাসে নেইমার তার ক্লাবের (বার্সেলোনা, পিএসজি, আল-হিলাল বা সান্তোস) গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ মিস করেছেন। কারণ হিসেবে দেখা গেছে সাসপেনশন, ইনজুরি, মাসকুলার সমস্যা বা কোচের বিশ্রামের সিদ্ধান্ত।

বছর অনুযায়ী তালিকা (প্রধানত মার্চের আশেপাশে):

২০১৫: সাসপেনশন (বার্সেলোনা)
২০১৬: সাসপেনশন (বার্সেলোনা)
২০১৭: ইনজুরি (বার্সেলোনা)
২০১৮: মেটাটার্সাল ফ্র্যাকচার (পিএসজি)
২০১৯: ইনজুরি (পিএসজি)
২০২১: মাসকুলার ইনজুরি (পিএসজি)
২০২৩: অ্যাঙ্কেল লিগামেন্ট ইনজুরি (পিএসজি)
২০২৪: ইনজুরি (আল-হিলাল)
২০২৫: ইনজুরি/ডিসকমফর্ট (সান্তোস)
২০২৬: মাসল টাইটনেস/রেস্ট (সান্তোস)

শুধুমাত্র ২০২২ সালে তিনি খেলেছিলেন (পিএসজির হয়ে), আর ২০২০ সালে কোভিড-১৯ এর কারণে লিগ বন্ধ থাকায় ম্যাচই হয়নি। এছাড়া প্রায় সব বছরই প্যাটার্ন একই — ১১ মার্চের আশেপাশে নেইমার মাঠের বাইরে।

ফ্যানরা এটাকে মজা করে “curse” বললেও, কোনো প্রমাণ নেই যে নেইমার ইচ্ছাকৃতভাবে এটা করেন। নেইমারের সঙ্গে তার বোন রাফায়েলার সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ — তিনি বোনের নামে ট্যাটু করেছেন এবং প্রায়ই সোশ্যাল মিডিয়ায় তার সঙ্গে ছবি শেয়ার করেন। সান্তোস কোচিং স্টাফ বলেছে, এটা শুধুমাত্র প্রিকশনারি রেস্ট, কোনো গুরুতর ইনজুরি নয়।এই ঘটনা নিয়ে আন্তর্জাতিক মিডিয়া পোস্টে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকে বলছেন, “মার্চ মাস মানেই নেইমারের জন্য বিশ্রামের মাস!” এখন প্রশ্ন হলো — এটা কি শুধু কাকতালীয়, নাকি নেইমারের পরিবারকে প্রায়োরিটি দেওয়ার একটা অদ্ভুত উপায়? ফুটবলের এই মজার “অভিশাপ” কবে ভাঙবে, সেটাই দেখার অপেক্ষা।

আরও পড়ুন