২৪ জুন ২০২৬, বুধবার, ১৪:১২

শিরোনাম
জুয়া-ফিক্সিংয়ে কঠোর আইন, সংসদে বিল জলবায়ু তহবিল দ্রুত কার্যকর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে যোগ দিতে দুই মন্ত্রী ঢাকা ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নামে ভুয়া পেজ খুলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি সৌরবিদ্যুতে সুখবরের ইঙ্গিত দিলেন চিফ হুইপ! বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ WEF প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ডেঙ্গু মোকাবিলায় বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত
শিরোনাম
জুয়া-ফিক্সিংয়ে কঠোর আইন, সংসদে বিল জলবায়ু তহবিল দ্রুত কার্যকর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে যোগ দিতে দুই মন্ত্রী ঢাকা ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নামে ভুয়া পেজ খুলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি সৌরবিদ্যুতে সুখবরের ইঙ্গিত দিলেন চিফ হুইপ! বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ WEF প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ডেঙ্গু মোকাবিলায় বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তি ঘিরে নতুন অনিশ্চয়তা

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তি ঘিরে নতুন অনিশ্চয়তা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৪ জুন, ২০২৬, ১২:০০

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান তাদের পরমাণু স্থাপনাগুলোতে আন্তর্জাতিক পরিদর্শনের জন্য ‘অনির্দিষ্টকালের’ অনুমতি দিতে রাজি হয়েছে। তবে তেহরান এই দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে। ইরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক শান্তি আলোচনায় পরমাণু কর্মসূচি বা আন্তর্জাতিক পরিদর্শন নিয়ে এমন কোনো সমঝোতা হয়নি। ফলে সদ্য স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি ও শান্তি চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

গত সপ্তাহে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ও সংঘাত কমানোর লক্ষ্যে দুই দেশ একটি প্রাথমিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে। কিন্তু সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার আলোচনার পরই স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে এখনও বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়েছে। বিশেষ করে পরমাণু কর্মসূচির তদারকি, অবরুদ্ধ ইরানি তহবিলের ব্যবহার, হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ এবং লেবানন পরিস্থিতি নিয়ে বিরোধ অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে ট্রাম্প আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করলেও যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে এই যুদ্ধ নিয়ে জনসমর্থন কমতে শুরু করেছে। সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, অনেক মার্কিন নাগরিক মনে করেন সংঘাতের কারণে ইরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান দুর্বল হয়েছে। একই সময়ে মার্কিন সিনেট প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করার লক্ষ্যে একটি প্রতীকী প্রস্তাবও পাস করেছে।

চুক্তি অনুযায়ী, ৬০ দিনের জন্য বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুট হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত রাখতে সম্মত হয়েছে ইরান। এর ফলে সেখানে আটকে পড়া হাজারো নাবিককে উদ্ধারের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে ইরান ও ওমান জানিয়েছে, জলসীমাটির ওপর তাদের সার্বভৌম অধিকার রয়েছে এবং ভবিষ্যতে তারা জাহাজ চলাচলের ওপর শুল্ক আরোপ করতে পারে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট করেছে, চূড়ান্ত চুক্তিতে ইরানকে এমন কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।

অবরুদ্ধ ইরানি তহবিল ব্যবহারের বিষয়েও মতবিরোধ রয়েছে। ট্রাম্পের দাবি, এই অর্থ কেবল খাদ্য ও ওষুধ কেনার জন্য ব্যবহার করা যাবে। তবে ইরান বলছে, অর্থ ব্যয়ের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ তাদের নিজস্ব।

এছাড়া চুক্তির অন্যতম শর্ত ছিল লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার। কিন্তু ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা দক্ষিণ লেবাননে নিজেদের নিরাপত্তা অঞ্চল বজায় রাখবে। সাম্প্রতিক হামলায় হতাহতের ঘটনায় পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব বিরোধ দ্রুত সমাধান না হলে শান্তি চুক্তি টেকসই হওয়া কঠিন হতে পারে।
 

আরও পড়ুন