০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১:৩৪

শিরোনাম
বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
শিরোনাম
বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সিলেটের ডিসিকে শোকজ করল আদালত

সিলেটের ডিসিকে শোকজ করল আদালত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০০:৫০

সিলেটের গোলাপগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গুলিবর্ষণের আদেশদাতা ম্যাজিস্ট্রেটের তথ্য সরবরাহ না করায় জেলা প্রশাসককে (ডিসি) কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছেন আদালত। সিলেটের আমলি আদালত নম্বর-২-এর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত তালুকদার এই আদেশ দেন।

আজ বুধবার সন্ধ্যায় বিষয়টি জানাজানি হয়।আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে তাজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি নিহত হন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আজ সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেন, ‘আমি নোটিশটি পাইনি। খোঁজ নিয়ে দেখছি তাহলে।’

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রুলী বেগম থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলাটি বর্তমানে তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তদন্তের স্বার্থে পিবিআই জেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চায়, সেদিন কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গুলির আদেশ দিয়েছিলেন। তবে বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও জেলা প্রশাসন সেই তথ্য সরবরাহ করেনি।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ১৫ জুন আদালত তথ্য সরবরাহের জন্য জেলা প্রশাসককে ১৫ দিনের সময় দেন। এরপর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও জেলা প্রশাসন কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, তথ্য সরবরাহ না করায় মামলার তদন্তকাজ বিলম্বিত হচ্ছে এবং এটি বিচারকাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির শামিল।

এমতাবস্থায় আদালত গত ৮ ফেব্রুয়ারি এক আদেশে উল্লেখ করেন, আদালতের আদেশ অমান্য করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ এবং সরাসরি আদালত অবমাননা। কেন জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে আইনগত বা বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হবে না, তা ১৫ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দিতে ব্যর্থ হলে তাঁর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

আরও পড়ুন