২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ১৮:৪২

শিরোনাম
মামুনুল প্রসঙ্গের বক্তব্য মুছে দিলেন স্পিকার দেশে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ শনাক্ত ১,০৬৩ জনের মালয়েশিয়ার পথে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরের শেষে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন: বিমানমন্ত্রী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বড় পরিবর্তন আনছে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ, প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বগুড়ার ৩ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রোববার মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, এরপর চীন সফর
শিরোনাম
মামুনুল প্রসঙ্গের বক্তব্য মুছে দিলেন স্পিকার দেশে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ শনাক্ত ১,০৬৩ জনের মালয়েশিয়ার পথে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরের শেষে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন: বিমানমন্ত্রী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বড় পরিবর্তন আনছে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ, প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বগুড়ার ৩ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রোববার মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, এরপর চীন সফর

গুমে জড়িত কেউ পার পাবে না: আইনমন্ত্রী

গুমে জড়িত কেউ পার পাবে না: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২৩:১৫

গুম ইস্যুতে আবেগঘন আলোচনা চলাকালে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, গুমের সঙ্গে জড়িত কোনো অপরাধী আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যেতে পারবে না। বিদ্যমান আইনের সীমাবদ্ধতা দূর করে কঠোর শাস্তির বিধান নিশ্চিত করতে সরকার নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানান তিনি।

আজ রবিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য দিতে গিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) গুম-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশের সমালোচনা করেন। তার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আইনমন্ত্রী তাকে সহমর্মিতা জানিয়ে বলেন, তিনি আমার সহকর্মী, দীর্ঘদিন গুমের শিকার ছিলেন।এটা আমাদের সবার জন্য বেদনাদায়ক।

আইনমন্ত্রী বলেন, দেশে সাতশর বেশি মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন এবং তাদের প্রত্যেকেই রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে ন্যায়বিচারের অধিকার রাখেন। গুমের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও রয়েছেন, যিনি কঠিন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে ফিরে এসেছেন। এ বাস্তবতা থেকেই সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এ ধরনের অপরাধের বিচার নিশ্চিত করা হবে।

তিনি জানান, বিদ্যমান গুম প্রতিরোধ-সংক্রান্ত অধ্যাদেশে সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছর কারাদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গুরুতর অপরাধের তুলনায় অপ্রতুল। এ কারণে ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’-এর সংজ্ঞার মধ্যে গুমকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেখানে অপরাধ প্রমাণিত হলে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, মানবাধিকার কমিশন আইনের অধীনে নির্ধারিত তদন্ত প্রক্রিয়া ও সময়সীমা অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের জন্য জটিলতা তৈরি করতে পারে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বিশেষ কমিটিতে আলোচনা হয়েছে এবং আইনগুলো পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে।


তিনি আশ্বাস দেন, গুম-সংক্রান্ত আইনকে যুগোপযোগী ও কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে নতুন বিল আনা হবে। এ প্রক্রিয়ায় ভুক্তভোগীদের প্রতিনিধিদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যাতে বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে আইনি কাঠামো শক্তিশালী করা যায়।

আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা এমন একটি আইন চাই, যেখানে শাস্তির বিধান, তদন্ত প্রক্রিয়া এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আইনের সঙ্গে কোনো সাংঘর্ষিক অবস্থা থাকবে না এবং অপরাধীরা কোনোভাবেই পার পাবে না।

আরও পড়ুন