২৮ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৯:১১

শিরোনাম
গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন আগামীকাল থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট মাদকবিরোধী লড়াইকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: মির্জা ফখরুল জ্বালানি সংকট, ব্রিকস ও শুল্ক ইস্যুতে সরকারের অবস্থান জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রস্তুত ইসি, দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত নয় শাহজালাল বিমানবন্দরে অতিরিক্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে সাময়িক স্থগিতাদেশ গণপরিবহনে জিপিএস সংযোজন বাধ্যতামূলক করল বিআরটিএ
শিরোনাম
গ্যাস সংকট সমাধানে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে মালয়েশিয়া: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৭,৩৬৪ শিক্ষার্থীর, অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেলে :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন আগামীকাল থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট মাদকবিরোধী লড়াইকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: মির্জা ফখরুল জ্বালানি সংকট, ব্রিকস ও শুল্ক ইস্যুতে সরকারের অবস্থান জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রস্তুত ইসি, দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত নয় শাহজালাল বিমানবন্দরে অতিরিক্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে সাময়িক স্থগিতাদেশ গণপরিবহনে জিপিএস সংযোজন বাধ্যতামূলক করল বিআরটিএ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন বাতিলের রিট খারিজ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন বাতিলের রিট খারিজ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১৪:৪৩

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৩-এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুহাম্মদ মহসিন রশিদ রিটটি দায়ের করেন। এতে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে বিবাদী করা হয়।

রিট আবেদনে ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনকে ‘অপ্রচলিত’, ‘কার্যকারিতাহীন’ এবং ‘রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনের হাতিয়ার’ হিসেবে উল্লেখ করে আইনটি বাতিলের উদ্যোগ নিতে সরকারের প্রতি নির্দেশনা চাওয়া হয়।

আবেদনে বলা হয়, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের বিচার নিশ্চিত করতেই আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে শিমলা চুক্তি ও ত্রিপক্ষীয় দিল্লি চুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধবন্দীদের প্রত্যাবাসনের পর এই আইনের মূল উদ্দেশ্য শেষ হয়ে যায়।

রিটে আরও দাবি করা হয়, ২০০৯ সালের পর আইনটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পুনরায় কার্যকর করে বিরোধী দলের নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছে এবং এটি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনের হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।

এছাড়া আবেদনকারী দাবি করেন, আইনটির প্রয়োগ সংবিধানের ৩১ ও ৩৫ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। একই সঙ্গে সংবিধানের ৯৪(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকদের ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনও সংবিধান পরিপন্থী বলে রিটে উল্লেখ করা হয়।

তবে শুনানি শেষে হাইকোর্ট রিট আবেদনটি খারিজ করে দেন।

আরও পড়ুন