২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ১৮:১৫

শিরোনাম
২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের প্রাণহানি সেন্ট্রাল আফ্রিকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর টহল দলের ওপর আইইডি হামলা ইতিবাচক অর্জনের কৃতিত্ব বাংলাদেশের মানুষের: জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখেই সব দেশের সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ: তথ্য উপদেষ্টা বিদেশি নাগরিকদের জন্য মার্কিন দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, শনাক্ত ৪৫ প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের প্রশংসায় জাতীয় সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলারের জরুরি সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক
শিরোনাম
২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের প্রাণহানি সেন্ট্রাল আফ্রিকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর টহল দলের ওপর আইইডি হামলা ইতিবাচক অর্জনের কৃতিত্ব বাংলাদেশের মানুষের: জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখেই সব দেশের সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ: তথ্য উপদেষ্টা বিদেশি নাগরিকদের জন্য মার্কিন দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, শনাক্ত ৪৫ প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের প্রশংসায় জাতীয় সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলারের জরুরি সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক

টানা ৯০ দিন চা না খেলে শরীরে কী পরিবর্তন হতে পারে

টানা ৯০ দিন চা না খেলে শরীরে কী পরিবর্তন হতে পারে

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৭ জুন, ২০২৬, ১৬:৩৪

অনেকের দিনের শুরুই হয় এক কাপ চা দিয়ে। কাজের ফাঁকে, আড্ডায় কিংবা অবসরে চা যেন নিত্যদিনের সঙ্গী। কিন্তু টানা ৯০ দিন চা পান বন্ধ করলে শরীরে কী ধরনের পরিবর্তন হতে পারে?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর প্রভাব ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হতে পারে। বিশেষ করে যারা প্রতিদিন কয়েক কাপ চা পান করেন, তাদের ক্ষেত্রে শুরুতে ক্যাফিনের অভাবজনিত কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তবে সময়ের সঙ্গে শরীর নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেয় এবং কিছু ইতিবাচক পরিবর্তনও দেখা দিতে পারে।

চা পান বন্ধ করার প্রথম এক থেকে দুই সপ্তাহে মাথাব্যথা, ক্লান্তি, বিরক্তি, মনোযোগে ঘাটতি এবং বারবার চা পান করার ইচ্ছা দেখা দিতে পারে। এগুলো মূলত ক্যাফিন প্রত্যাহারের সাময়িক প্রতিক্রিয়া। কয়েক দিন পর শরীর ধীরে ধীরে ক্যাফিন ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে শুরু করে।

তৃতীয় ও চতুর্থ সপ্তাহে অনেকেই সারাদিন শক্তির মাত্রা তুলনামূলক স্থিতিশীল অনুভব করেন। ক্যাফিনের কারণে শক্তির ওঠানামা কমে আসে এবং চা পান করার তীব্র আকাঙ্ক্ষাও ধীরে ধীরে হ্রাস পায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চায়ের ক্যাফিন অনেকের ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে, বিশেষ করে বিকেল বা রাতে চা পান করলে। তাই কিছুদিন চা থেকে বিরত থাকলে দ্রুত ঘুম আসা এবং ঘুমের মান উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এর প্রভাব কর্মক্ষমতা, মনোযোগ ও মানসিক সতেজতার ওপরও পড়তে পারে।

যাদের খালি পেটে দুধ চা পান করার অভ্যাস রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে অম্বল, গ্যাস, পেট ফাঁপা বা অস্বস্তির মতো সমস্যা কমতে পারে। তবে এ পরিবর্তন সবার ক্ষেত্রে একই রকম হয় না; এটি খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার ওপরও নির্ভর করে।

টানা ৯০ দিন চা না খেলে শরীর সাধারণত নতুন অভ্যাসের সঙ্গে মানিয়ে নেয়। অনেকেই এ সময় ঘুমের মান উন্নত হওয়া, সারাদিন শক্তির মাত্রা স্থিতিশীল থাকা এবং ক্যাফিনের ওপর নির্ভরতা কমে যাওয়ার অভিজ্ঞতার কথা জানান। অতিরিক্ত ক্যাফিন গ্রহণ কমালে কিছু মানুষের হৃদ্‌স্বাস্থ্যের ওপরও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চা পুরোপুরি বাদ দেওয়া সবার জন্য প্রয়োজনীয় নয়। পরিমিত পরিমাণে চা পান স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অংশ হতে পারে। সমস্যা হয় তখনই, যখন দিনে অতিরিক্ত চা পান করা হয় বা ক্লান্তি দূর করার একমাত্র ভরসা হয়ে ওঠে চা।

তাই চা সম্পূর্ণ ত্যাগ করার পরিবর্তে পরিমিত মাত্রায় পান করা, সুষম খাদ্যাভ্যাস মেনে চলা, পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত ব্যায়াম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখাই দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকার জন্য বেশি উপকারী।

আরও পড়ুন